দেবরের কু’নজরে প্র’বাসীর স্ত্রী’র স’র্বনা’শ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : নভেম্বর 26, 2020 09:14:41 অপরাহ্ন
0
11
ভিউ

হবিগঞ্জের বাহুবলে সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া আক্তার (২২) কে ধ”ণের পর হ’ত্যার ঘটনায় দা’য়েরকৃত মা’মলার ২ নম্বর আ’সামি ও তানিয়ার শ্বশুর হারুনুর রশীদকে গ্রে’প্তার করেছে র‌্যা’পিড অ্যা’কশন ব্যাটালিয়ান র‌্যা’ব। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাকে উপজে’লার ভুগলী গ্রাম থেকে গ্রে’প্তার করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে দেবর জানে আলমকে প্রধান আ’সামি করে শ্ব’শুর-শা’শুড়ি ও ননদসহ পাঁচজনকে আ’সামি করে মা’মলা দা’য়ের করেন নি’হত তানিয়ার মা রুনা আক্তার।

র‌্যা’ব শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের এসআই মনির গ্রে’প্তারে বি’ষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার শ্বশুরবাড়ি বাহুবল উপজে’লার ভূগলী গ্রাম থেকে তাকে গ্রে’প্তার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাহুবল উপজে’লার মির্জাটুলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী নুরুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তার (২২) এর সাথে তিন বছর পূর্বে বিয়ে হয় একই উপজে’লার ফদ্রখলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী শাহ আলমের সাথে। তাদের ২২ মাসের একটি পু’ত্র স’ন্তান আছে। সুখেই যাচ্ছিল তানিয়ার দা’ম্পত্য জী’বন। কিন্তু রূপবতী তানিয়ার প্রতি কুনজর পড়ে দুই স’ন্তানের পিতা দেবর জানে আলমের। তানিয়াকে প্রায়ই সে উ’ত্ত্যক্ত করত। তানিয়া শ্ব’শুর-শা’শুড়িকে বি’ষয়টি বার বার জানালেও তারা কর্ণপাত করেনি।

জানে আলমের স্ত্রী ঝুমা আক্তারকেও বি’ষয়টি জানায় তানিয়া। এ নিয়ে জানে আলমের সাথে তার স্ত্রী ঝুমা আক্তারের ঝ’গড়াও হয়। স্ত্রী’র নি’ষেধ মা’নেনি জানে আলম। একপর্যায়ে জানে আলমের ঘর ছাড়ে স্ত্রী ঝুমা আক্তার। বি’ষয়টি ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্রামে।

ক্ষি’প্ত হয়ে ওঠে জানে আলম। বিচার দেওয়ার প্র’তিশোধ নিতে মরিয়া ওঠে সে। রবিবার দিবাগত রাতে দরজার তালা ভে’ঙে তানিয়ার রুমে প্রবেশ করে তানিয়াকে জো’রপূর্বক ধ”ণ করে জানে আলম। একপর্যায়ে তানিয়াকে হ’ত্যার উদ্দেশ্যে তার মু’খে বি’ষ ঢে’লে দেয়। ওই দিন রাতে তানিয়ার ছোট ভাই তানভীরকে ফোন দেয় জানে আলম। ফোন দিয়ে বলে, তার স্ত্রী অ’সুস্থ। একটি সিএনজি নিয়ে আসতে।

সে সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে জানে আলমের বাড়িতে গিয়ে দেখে তার স্ত্রী নয় তানভীরের বোন অ’সুস্থ অ’জ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। পরে তাকে বাহুবল উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থার অ’বনতি ঘটলে সিলেট ওসমানি মে’ডিক্যাল কলেজ হা’সপাতালে রেফার্ড করেন চি’কিৎসকরা। সোমবার সকালে সিলেট ওসমানি মে’ডিকেল কলেজ হা’সপাতালে তানিয়ার মৃ’ত্যু হয়।

বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মা’মলা দা’য়েরের বি’ষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে গ্রে’প্তারকৃত আ’সামি ও তানিয়ার শ্ব’শুর হারুনুর রশীদকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত হস্তান্তর ক’রেনি বলে জানান তিনি।