আমাকে আবার মা’দ্রাসায় পাঠালে ছা’দ থেকে লা’ফ দিয়ে ম’রে যাব’

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : নভেম্বর 26, 2020 07:48:30 অপরাহ্ন
0
15
ভিউ

ছে’লে ভ’য়ে মা’দ্রাসা থেকে পা’লিয়ে আশ্রয় নিয়েছে নানির বাসায়। খবর পেয়ে সেখান যান বাবা-মা। এসময় ছে’লে তাদের বলে, ‘আমি আর মা’দ্রাসায় যাবো না’। বাবা কারণ জানতে চাইলে সে বলে, ‘হু’জুররা আমার স’ঙ্গে খা’রাপ কাজ করে। আমাকে যদি আবার মা’দ্রাসায় পাঠাও তাহলে আমি ছাদ থেকে লা’ফ দিয়ে ম’রে যাব’।

কথাগুলো বলছিলেন মাদ্রাসায় হুজুরের ব’লাৎ’কারের শি’কার এক ছা’ত্রের অভিভাবক। পরে বি’ষয়টি তিনি থানায় জানালে অ’ভিযুক্ত দুই শি’ক্ষককে আ’টক করে পু’লিশ।

বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌরসভার শ্যামলী (গরুর হাট) এলাকার আল এহসান নূরানী ও হে’ফজ মা’দ্রাসায়। এ ঘটনায় ওই ছা’ত্রের অ’ভিভাবক বা’দী হয়ে থানায় মা’মলা করেছেন।

মা’মলার বিবরণে জানা যায়, ঘাটাইল পৌর এলাকার আল এহসান নূরানী ও হে’ফজ মা’দ্রাসার দুই শি’ক্ষার্থীকে সকালে ব’লাৎ’কার করেন দুই হুজুর। ছে’লের মু’খে ঘটনা শুনে পুলিশে খবর দেন এক অভিভাবক। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই মা’দ্রাসার শি’ক্ষক গোপালপুর উপজে’লার শরিকপুর গ্রামের মো. হেকমত আলীর ছে’লে রমিজুল ইসলাম (২২) ও ভূঞাপুর উপজে’লার নিকরাইল গ্রামের তারা মিয়ার ছে’লে খায়রুল ইসলামকে (২২) গ্রে’প্তার করে। পরে তাদের আ’দালতের মাধ্যমে জে’ল হা’জতে পাঠানো হয়।

এলাকাবাসী জানায়, মা’দ্রসাটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অভিভাবকের অ’ভিযোগের ভিত্তিতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। অভিভাবকদের বসার কক্ষে নিয়ে তারা ওই কাজ করেছেন। ওই কক্ষটি সিসির আওতার বাইরে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাকসুদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদের উ’দ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মা’মলা হয়েছে। অ’ভিযুক্তদের গ্রে’প্তার করে আ’দালতের মাধ্যমে জে’লহাজতে পাঠানো হয়েছে।