কথায় কথায় মা’নুষ পে’টান এ’এসআই কামরুল

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : মে 10, 2020 12:15:25 পূর্বাহ্ন
0
8
ভিউ

চট্টগ্রাম ন’গরের টেরিবাজারের গুদামে এক যু’বককে বে’ধড়ক পে’টাচ্ছিলেন এক ব্য’ক্তি। পাশেই একটি খাট। তাতে মশারি টা’নানো। গত বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানার এ’এসআই কামরুল হাসানের হা’তে মা’রধরের শি’কার হয়ে গিরিধারী চৌধুরী নামের ষাটোর্ধ্ব এক দো’কান ক’র্মচারীর মৃ’ত্যুর অ’ভিযোগ ও’ঠার পর এমন একটি ভিডিও সা’মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছ’ড়িয়ে প’ড়ে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভিডিওর ওই নি’পীড়কও স’হকারী উ’প-প’রিদর্শক (এ’এসআই) কামরুল হাসান। যাকে পে’টানো হচ্ছে তিনি টেরিবাজারের একটি মুড়ির দো’কানের ক’র্মচারী অপু পাল। শুধু অপু পাল কিংবা গিরিধারী নন, এ’এসআই কামরুলের হা’তে নি’পীড়নের শি’কার হয়েছেন অন্তত এ’কজন ব্য’বসায়ী ও ব্য’ক্তি। লো’কজনকে পে’টানো ও আ’টকে রে’খে টাকা আ’দায় করায় যেন তার নে’শা।

কোতোয়ালি থা’নার বক্সিরহাট পু’লিশ ফাঁ’ড়িতে গিরিধারী চৌধুরীর মৃ’ত্যুর পর তিন স’দস্যের ত’দন্ত কমিটি গঠন করে ন’গর পু’লিশের দক্ষিণ বিভাগ। গত শুক্রবার ত’দন্ত প্র’তিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি। প্র’তিবেদনে এ’এসআই কামরুল বিভিন্নজ’নকে নি’পীড়ন করেছেন তার তথ্য উ’ঠে এসেছে। প্র’তিবেদন পাওয়ার পর তাকে সা’ময়িক ব’রখাস্ত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নগর পু’লিশের উ’প-ক’মিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান বলেন, ‘ত’দন্তে গিরিধারী চৌধুরীকে পে’টানোর কোনো প্রমাণ মে’লেনি। তবে তার সঙ্গে টা’নাহেঁ’চড়া হয়েছে। দো’কানের আরেক ক’র্মচারী ও রিকশাচালককে পে’টানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ধরনের অ’পেশাদার আ’চরণের কারণে এ’এসআই কামরুলকে সা’ময়িক ব’রখাস্ত করা হয়েছে। ত’দন্তে ভাইরাল হওয়া মুড়ির দোকানের ক’র্মচারীকে পে’টানোর ভিডিওর সত্যতা পেয়েছে বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল ন’গরের টেরিবাজার মোহাদ্দেছ মার্কে’টের প্রার্থনা বস্ত্রালয়ের ম্যানেজার গিরিধারী চৌধুরীর মৃ’ত্যু হয়। অ’ভিযোগ উ’ঠেছে, এ’এসআই কামরুল হাসানের মা’রধরের শি’কার হয়ে তার মৃ’ত্যু হয়েছে। ওই দিন মা’রধরের শি’কার হওয়া অন্য ক’র্মচারী নিখিল দাশ জানান, পাইকারি এক ক্রেতাকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শাড়ির দুটি বস্তা রিকশায় তুলছিলেন গিরিধারী ও নিখিল। এ সময় মার্কে’টের নি’রাপত্তাকর্মী মাসুদুল আলম তাদের বা’ধা দেন। মাসুদ এ’এসআই কামরুলকে খবর দেন। কামরুল এসে নিখিল, গি’রিধারী ও রিকশাচালককে পে’টান।

গিরিধারী চৌধুরীর ছে’লে পরেশ চৌধুরী বলেন, ‘আমার বাবা ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে ওই দো’কানে কাজ করেছেন। তিনি তো চো’র-ডা’কাত নন। তাকে এভাবে পি’টিয়ে মে’রে ফে’লা হবে কেন। বা’বাকে হ’ত্যার বি’চার দা’বি করছি।’

অ’নুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল ন’গরের হাজারী গলি এলাকা থেকে আশীষ মহাজন নামে এক ব্য’ক্তিকে মা’রধর করে টে’নেহিঁ’চড়ে বক্সিরহাট পু’লিশ ফাঁ’ড়িতে নিয়ে যান এ’এসআই কামরুল হাসান। পরে তার স্ব’জনরা পু’লিশের ঊর্ধ্বতন ক’র্মকর্তাদের বিষয়টি জানালে তাকে ছে’ড়ে দেন তিনি। ২০১৯ সালের ২৪ মে রাতে নগরের লালদীঘির পাড়ের জাহেদ বোর্ডিং থেকে পাঁচ যু’বককে ধ’রে নিয়ে যান এএ’সআই কামরুল হাসান। তাদের ই’য়াবা দিয়ে ফাঁ’সিয়ে দেওয়ার ভ’য় দে’খিয়ে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা আ’দায় করেন তিনি। পরদিন ছে’ড়ে দেন।

অ’ভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানা পু’লিশের স’হকারী উ’প-প’রিদর্শক এ’এসআই কামরুল হাসান বলেন, ‘দা’য়িত্বের কারণে অনেক অ’পরাধীর বি’রুদ্ধে আ’ইনি ব্য’বস্থা নি’য়েছি। তারা এখন সুযোগ পেয়ে মি’থ্যা অ’ভিযোগ করছে। আমি কখনও কাউকে মা’রধর ক’রিনি। কারও কাছ থেকে টা’কাও নি’ইনি। যে ভিডিওটি ছ’ড়ানো হয়েছে, এটি মাস দেড়েক আগের ঘটনা।’

সূত্রঃ সমকাল

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে