ধ”ণ নয় স্বেচ্ছায় শা’রীরিক সম্পর্ক করেন রেইনট্রি হোটেলের সেই দুই ত’রুণী

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : নভেম্বর 11, 2021 05:26:36 অপরাহ্ন
0
24
views

রাজধানীর বনানীতে দ্য রেইনট্রি হোটেলে জন্ম’দিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে ধ”ণের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন আ’দালত। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার আ’সামিদের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করেন।

দুই শিক্ষার্থী ধ”ণের অ’ভিযোগে হওয়া মা’মলায় ধ”ণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সেখানে অ’ভিযোগকারীরা স্বেচ্ছায় আ’সামিদের সঙ্গে ম’দ্যপান করেন এবং ড্যান্সে অংশ নেন। এরপর তারা আ’সামিদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় শয্যাসঙ্গী হন। সেখানে তাদের মধ্যে শা’রীরিক সম্পর্ক হলেও জো’রপূর্বক ধ”ণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আ’সামিকে খালাস দিয়ে ঘোষণা করা রায়ে আ’দালত এ পর্যবেক্ষণ দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মা’মলার দুই ভি’কটিম আগে থেকেই সে’ক্সুয়াল কাজে অভ্যস্ত। তারা স্বেচ্ছায় হোটেলে গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সুইমিং করেছেন। ঘটনার ৩৮ দিন পর তারা বললেন, ‘আমরা ধ”ণের শি’কার হয়েছি’। অহেতুক ত’দন্তকারী কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে আ’সামিদের বি’রুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন। এতে আ’দালতের ৯৪ কার্যদিবস ন’ষ্ট হয়েছে। এরপর থেকে পুলিশকে এ বি’ষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়া এরপর থেকে ধ”ণের ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ মা’মলা করতে যায় তা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আ’সামিরা বলেন, আ’দালতের মাধ্যমে সত্যের জয় হয়েছে। রায় শুনে কাঠগড়ায় থাকা পাঁচ আ’সামি আলহাম’দুলিল্লাহ বলেন। এরপর তারা বিচারককে উদ্দেশ করে হাত তুলে বলেন, আসসালামু আলাইকুম। মা’মলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত হোটেলে জন্ম’দিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধ”ণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বছরের ৬ মে সাফাতসহ পাঁচজনের বি’রুদ্ধে বনানী থানায় ধ”ণ মা’মলা হয়।

ত’দন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৭ জুন মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভি’কটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ আ’সামির বি’রুদ্ধে আ’দালতে অ’ভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আ’সামিদের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। ওই বছরের ১৩ জুলাই ঢাকার নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শফিউল আজম পাঁচ আ’সামির বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন।

অ’ভিযোগপত্রে আ’সামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বি’রুদ্ধে নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইনের ৯ (১) ধারায় ধ”ণের অ’ভিযোগ করা হয়। মা’মলার অন্য তিন আ’সামি সাদমান সাকিফ, আলী ও বিল্লাল হোসেনের বি’রুদ্ধেও একই আইনের ৩০ ধারায় ধ”ণে সহযোগিতার অ’ভিযোগ আনা হয়। এ মা’মলার আ’সামিরা হলেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন এবং নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিম। সুত্রঃ বিডি ২৪ লাইভ