দুই মা’মলায় এসকে সিনহার ১১ বছরের কা’রাদ’ণ্ড

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : নভেম্বর 9, 2021 01:21:39 অপরাহ্ন
0
18
views

আইন ও বিচার: দুই মা’মলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার ১১ বছরের কা’রাদ’ণ্ড দিয়েছেন আ’দালত। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আ’দালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে, গত ২১ অক্টোবর এ মা’মলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারক সেদিন রায় ঘোষণা না করে ৯ নভেম্বর পরবর্তী রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে দুই দফা মা’মলার রায় ঘোষণার তারিখ পেছায়। ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা ঋ’ণ নিয়ে অর্থ আ’ত্মসাতের অ’ভিযোগে এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করে দু’র্নীতি দ’মন কমিশন (দুদক)। ২০১৯ সালের ১০ জুলাই দুদকের সমন্বিত জে’লা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মা’মলা করা হয়। মা’মলার বা’দী দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। এরপর চলতি বছরের ২৯ আগস্ট আত্মপক্ষ সমর্থনে সাত আ’সামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং আ’দালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

এ মা’মলার অপর আ’সামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী, ফার্স্ট ভাইস প্রে’সিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রে’সিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, ফার্স্ট ভাইস প্রে’সিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়। আ’সামিদের মধ্যে এসকে সিনহাসহ চারজন প’লাতক রয়েছেন।

গত বছরের ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বা’দী হয়ে দুদকের সমন্বিত জে’লা কার্যালয় মা’মলাটি করেন। ত’দন্ত শেষে ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর কমিশনের সভায় ১১ জনের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আ’দালতে অ’ভিযোগপত্র জমা দেন মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। এরপর গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মা’মলাটির অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এ বদলির আদেশ দেন।

গত ১৩ আগস্ট আ’দালত এসকে সিনহাসহ ১১ জনের অ’ভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। গত ১৮ আগস্ট আ’দালতে তাদের বি’রুদ্ধে মা’মলার বা’দী দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এ মা’মলায় ২১ জন সাক্ষী সবার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আ’দালত।

মা’মলার অ’ভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আ’সামিরা পরস্পর যোগসাজশে অ’বৈধভাবে ভুয়া ঋ’ণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে অর্জিত অ’পরাধলব্ধ আয় উত্তোলন, স্থানান্তর ও নিজেদের ভোগদ’খলে রেখে অ’বৈধভাবে প্রকৃত উৎস, অবস্থান গো’পন করে পা’চার করেছেন। পা’চারের ষ’ড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে সম্পৃক্ত থেকে দ’ণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দু’র্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শা’স্তিযোগ্য অ’পরাধ করেছেন।