ভাতিজিকে ধ”ণ, ভিডিও-ছবি ছড়িয়ে দিল চাচা ও তার সহযোগীরা

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : নভেম্বর 7, 2021 11:59:17 পূর্বাহ্ন
0
22
views

সারাদেশ: বরগুনার আমতলী উপজে’লার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে নবম শ্রেণির এক স্কুলশিক্ষার্থীকে ধ”ণ করেছে দূর সম্পর্কের চাচা। ধ”ণের ভিডিও ধারণ এবং পরবর্তীতে ভ’য় দেখিয়ে ফের আ’পত্তিকর ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হু’মকিও দেওয়া হয়েছে। এসব অ’ভিযোগে মা’মলা দা’য়েরের পর ধ’র্ষক সোহেল (১৭) ও তার সহযোগী খালাত বোন মারুফাকে (১৪) গ্রে’প্তার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। ধ’র্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মা’মলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজে’লার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের এক স্কুলছাত্রী তার দূর সম্পর্কের চাচা রাসেল মুসুল্লীর কাছে দর্জির কাজ শিখতে যায়। রাসেলের ছোট ভাই সোহেল মুসুল্লী প্রায়ই ওই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু মেয়েটি তা প্রত্যাখ্যান করে। অ’ভিযুক্ত সোহেল এবং ধ”ণের শি’কার কি’শোরী মেয়েটি সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি। তাদের উভ’য় পরিবার একই বাড়িতে বসবাস করে। গত ৯ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে মেয়েটি দর্জির কাজ শিখতে রাসেলের ঘরে গিয়ে দেখে তিনি ঘরে নেই।

এসময় ঘরে ছিল ধ’র্ষক সোহেল এবং তার খালাতো ভাই শামীম। মেয়েটি ঘরে প্রবেশের পর কিছু বুঝে ওঠার আগেই সোহেল ঘরের দরজা আ’টকে তার শামীমের সহযোগিতায় তাকে ধ”ণ করে এবং কৌশলে তা মোবাইলে ধারণ করে রাখে। ধ”ণের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভ’য় দেখিয়ে সোহেল পরবর্তিতে একাধিকবার মেয়েটিকে ধ”ণ করেছে। এ ঘটনার পর আবার গত ১৭ আগস্ট ধ’র্ষক সোহেল তার খালাতো বোন মারুফাকে মেয়েটির ঘরে পাঠিয়ে তার আ’পত্তিকর ছবি মুঠোফোনে ধারণ করে তা সংগ্রহে রাখে।

গত বুধবার সোহেল মেয়েটিকে আবার শা’রীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। ভি’কটিম তাতে রাজি না হওয়ায় পরদিন বৃহস্পতিবার সোহেল তার মুঠোফোন ধারণ করা ভিডিও ও ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ভি’কটিমের পরিবার বি’ষয়টি জানতে পেরে তার মা বা’দী হয়ে শুক্রবার রাতে সোহেলকে প্রধান করে এবং ধ”ণে সহযোগিতার জন্য খালাতো বোন ফারুফা এবং খালাতো ভাই শামীকে আ’সামি করে আমতলী থানায় নারী ও শি’শু নি’র্যাতন এবং প’র্নোগ্রাফি আইনে মা’মলা দা’য়ের করেন। মা’মলার পর ধ’র্ষক সোহেল এবং তার খালাতো বোন মারুফাকে ওই রাতেই আমতলী থানার পুলিশ গ্রে’প্তার করে।

ধ’র্ষক সোহেল কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের মাইনুদ্দিন মুসুল্লীর ছেলে। আর তার দুই সহযোগী খালাতো ভাই-বোন সফি আকনের দুই ছেলে-মেয়ে। ধ’র্ষিতার মা কা’ন্নাজ’ড়িত কণ্ঠে বলেন, সোহেল সম্পর্কে আমার ফুপাতো দেবর। একই বাড়িতে আমরা বসবাস করি। সম্পর্কে সে আমার মেয়ের চাচা হয়। চাচা হয়েও সে আমার মেয়ের স’র্বনাশ করেছে। জো’রপূর্বক ধ”ণ করে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে ভ’য় দেখিয়ে একাধিকবার ধ”ণ করেছে। আবার শা’রীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে মেয়ে রাজি না হওয়ায় জো’র করে তোলা ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে আমাদের মানসম্মান ন’ষ্ট করেছে। আমি এ ঘটনার কঠিন শা’স্তি চাই।

মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসরিন সুলতানা জানান, মা’মলার পর পরই ধ’র্ষক সোহেল এবং সহযোগী খালাত বোন মারুফাকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। অপর আ’সামি শামীম প’লাতক রয়েছে। ধ’র্ষক সোহেলের মোবাইল ফোন জ’ব্দ করা হয়েছে। আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি ত’দন্ত) রনজিত কুমার স’রকার বলেন, ধ’র্ষক সোহেল এবং ধ”ণে সহযোগিতার অ’পরাধে তার খালাত বোন মারুফাকে গ্রে’প্তারের পর আমতলী উপজে’লা সিনিয়র জু’ডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ধ’র্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।