স্ত্রী-মেয়েকে কুপিয়ে পুলিশকে ফোন দেন অরবিন্দ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : অক্টোবর 31, 2021 05:26:14 অপরাহ্ন
0
6
views

নিজের স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে কুপিয়েছেন অরবিন্দ বাজাজ। এতে তার স্ত্রী মারা গেলেও মেয়ে এখনো বেঁচে রয়েছে। তবে সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, কোপানোর পর ১০০ নম্বরে কল করে লালবাজারের পুলিশকে নিজেই ঘটনার কথা জানান অরবিন্দ। শনিবার (৩০ অক্টোবর) গভীর রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এই ঘটনা ঘটে। রবীন্দ্র সরোবর থানার ৩৩/সি মনোহরপুকুর রোডের পুষ্পক অ্যাপার্টমেন্টের চারতলায় স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে থাকেন ৪৭ বছরের অরবিন্দ বাজাজ।

শ্বশুরের সঙ্গে সিমেন্টের ব্যবসায় যুক্ত থাকলেও, গত দুই বছর ধরে অরবিন্দর হাতে কোনো কাজ ছিল না। বেকারত্বের পাশাপাশি নিজের সাংসারিক জীবনেও অশান্তি ছিল বলে খবর। এইসব কারণে অরবিন্দ মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের।পুলিশ সূত্রের খবর, শনিবার রাতে নিজের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বাজাজ ও ১৮ বছর মেয়েকে কোপান অরবিন্দ। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান প্রিয়াঙ্কা। আর রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে তার মেয়ে। এরপর পুলিশকে ফোন করে নিজেই ঘটনার কথা জানান। ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ।

সেখানে প্রিয়াঙ্কা এবং তার মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর ফ্ল্যাটের ভেতরেই আটক করা হয় অরবিন্দকে। তবে ঠিক কি কারণে তিনি তার স্ত্রীকে খুন করলেন এবং নিজের মেয়েকে খুনের চেষ্টা করলেন তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। খুন এবং খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইড শাখাও।

স্থানীয় বিধায়ক দেবাশীষ কুমার জানান, ফ্ল্যাটের ভেতরে অভিযুক্ত অরবিন্দের সঙ্গে দেখা হয়েছে তার। অরবিন্দ বাজাজ তাকে বলেন, ‘স্যার আমি কোনো পেশাদার খুনি নই, রাগের মাথায় খুন করে ফেলেছি।’ সুত্রঃ জাগো নিউজ