‘যারা প্রাণ ভিক্ষা দেয়নি তারা ক্ষমার যোগ্য নয়’

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : অক্টোবর 10, 2021 10:48:17 অপরাহ্ন
0
31
views

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁ’ড়িতে যুবক রায়হানকে পি’টিয়ে হ’’ত্যার এক বছর পূর্ণ হচ্ছে সোমবার। গত বছরের ১০ অক্টোবর ওই ফাঁ’ড়িতে ধরে নেওয়ার পর ১১ অক্টোবর লা’শ উ’দ্ধার করা হয়েছিল।

রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বা’দী হয়ে হ’’ত্যা মা’মলা দা’য়েরের পর পুলিশের এসআই আকবর হ’’ত্যার দায় স্বীকার করে জ’বানব’ন্দি দেন আ’দালতে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর মা’মলার চার্জশিটও গ্রহণ করেন আ’দালত। তবে এখনো শুরু হয়নি বিচারকাজ।

রোববার সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মা’নববন্ধন করে দ্রুত বিচার কাজ শুরুর দাবি জানানো হয়। ওই কর্মসূচিতে ১৫ মাসের মেয়ে আলফাকে নিয়ে স্ত্রী তাহমিনা আক্তার ও মা সালমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তারা রায়হান হ’’ত্যা মা’মলার বিচারকাজ দ্রুত শুরু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন, প’লাতক আ’সামি আব্দুল্লাহ আল নোমানকে গ্রে’ফতার এবং সব আ’সামির ফাঁ’সি দাবি করেন।

মা’নববন্ধনে বক্তৃতাকালে রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, খু’নি নোমানকে দ্রুত গ্রে’ফতার করে দ্রুত বিচারকার্য সম্পাদনের দাবি জানাচ্ছি। যদিও চার্জশিট প্রদানে ও গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

সালমা বেগম বলেন, কোনো খু’নির সঙ্গে আপস কিংবা ক্ষমা নয়। তারা কি আমার ছেলে রায়হানের প্রা’ণ ভিক্ষা দিয়েছিল? যারা প্রা’ণ ভিক্ষা দেয়নি তারা ক্ষমার যোগ্য নয়? খু’নিদের ক্ষমা করলে আরও অনেক পুলিশ ফাঁ’ড়িতে হ’’ত্যার ঘটনা ঘটবে।

রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বলেন, পুলিশ অফিসারসহ খু’নিরা সবাই গ্রে’ফতার হলো, স্বী’কারোক্তিও দিল; কিন্তু খু’নি নোমান কেন গ্রে’ফতার হয় না?

২০২০ সালের ১০ অক্টোবর যুবক রায়হানকে ধরে নিয়ে যায় সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁ’ড়ির পুলিশ। ফাঁ’ড়িতে পি’টিয়ে হ’’ত্যার পর ১১ অক্টোবর লা’শ উ’দ্ধার হয়। এ নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে পুলিশের ৫ সদস্যকে বরখাস্ত করে গ্রে’ফতার করা হয়।

পরবর্তীতে অ’ভিযুক্তরা আ’দালতে হ’’ত্যার স্বী’কারোক্তিও দেয়। তবে হ’’ত্যাকাণ্ডের সহযোগী বি’তর্কি’ত সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান এখনো গ্রে’ফতার হয়নি। পুলিশ ফাঁ’ড়িতে খু’ন হওয়া যুবক রায়হান সিলেট নগরীর আখাললিয়া নেহারীপাড়ার মৃ’ত রফিকুল ইসলামের ছেলে।