১৪ ছাত্রের চুল কে’টে দেয়া সেই শিক্ষিকার পদত্যাগ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর 29, 2021 11:01:32 পূর্বাহ্ন
0
28
views

সারাদেশ: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ জন ছাত্রের মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কে’টে দেয়ার অ’ভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহা’না ইয়াসমিন বাতেন তার ও’পর অর্পিত ৩টি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রবি পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান পদ, সহকারী প্রক্টর পদ ও প্রক্টরিয়াল বোর্ডের সদস্য পদ থেকে লিখিতভাবে পদত্যাগ করেছেন।

রবির রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল এ পদত্যাগের বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ বা পদত্যাগ না করায় শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। সেই সঙ্গে তারা ৪দফা থেকে সরে এসে এখন এক দফা আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। ভু’ক্তভোগী ছাত্ররা জানায়, রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিচিতি বি’ষয়ের ফাইনাল পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় ওই বিভাগের চেয়ারম্যান ও

সহকারী প্রক্টর ফারহা’না ইয়াসমিন বাতেন আগে থেকে কাঁচি হাতে পরীক্ষার হলের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশের সময় যাদের মাথার চুল হাতের মুঠোর মধ্যে ধরা যায়, তাদের মাথার সামনের অংশের বেশ খানিকটা চুল তিনি কাঁচি দিয়ে কে’টে দেন। এভাবে একে একে ১৪ জন শিক্ষার্থীর চুল তিনি কাঁচি দিয়ে কে’টে দেন। এরপর পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীদের পরিবার তুলে গা’লিগা’লাজ করেন।

এতে শিক্ষার্থীরা মা’নসিক ভাবে ভেঙ্গে পরে। এই ঘটনার প্র’তিবাদে শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে পোস্ট দিলে বি’ষয়টি ব্যাপক ভাইরাল হয়। এ ঘটনার প্র’তিবাদ করলে শিক্ষিকা ফারহা’না ইয়াসমিন বাতেন ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান তুহিনকে তার চেম্বারে ডেকে নিয়ে গা’লিগা’লাজ করেন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে স্থায়ী ভাবে ব’হিষ্কারের হু’মকি দেন।

এতে ভ’য়ে তুহিন সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে দ্বারিয়াপুরের শাহমুখদুম ছাত্রাবাসের নিজ কক্ষে দরজা বন্ধ করে ঘুমের বড়ি সেবন করে আত্মহ’’ত্যার চেষ্টা করেন। রাত ৮টার দিকে তার সহপাঠীরা বি’ষয়টি টের পেয়ে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উ’দ্ধার করে প্রথমে শাহজাদপুর উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যায়।

বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা এখনও আশংকাজনক বলে জানা গেছে। এ বি’ষয়ে রবির অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফ ও রবির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ইয়াসমিন বাতেন মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।