‘ছেলে তো পাব না, তবুও গর্ব দেশের জন্য জীবন দিল’

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর 26, 2021 12:40:56 অপরাহ্ন
0
31
views

সারাদেশ: গত শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে মা’দককারবারীকে ধরতে যান এএসআই পিয়ারুল ইসলামসহ আরও তিন পুলিশ সদস্য। সেখানে পলা’শ নামে একজনকে গাঁ’জাসহ আ’টক করেন তিনি। পলা’শের কাছে থাকা চাকু দিয়ে পিয়ারুল ইসলামের বুকে আ’ঘাত করেন ওই মা’দক ব্যবসায়ী। পরে গু’রুতর আ’হত অবস্থায় পিয়ারুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তার মৃ’ত্যু হয়। ছু’রিকাঘাতে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক পিয়ারুলের মৃ’ত্যুর পর কুড়িগ্রামের তার বাড়িতে এখন শো’কের মাতম।

শরিবার সন্ধ্যা ৬টায় পিয়ারুলের ম’রদেহ বাড়িতে নেয়া হলে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তার ম’রদেহ এক নজর দেখতে এলাকার লোকজন বাড়িতে ভিড় করেন। পিয়ারুলের মৃ’ত্যুর খবরের পর বাবা-মা ও স্ত্রী হাবিবা খাতুন হেনা বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। লা’শের পাশে বসেই পিয়ারুলের অবুঝ দুই শি’শু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর কা’ন্নায় ভারী মাস্টারবাড়ি। নি’হত পিয়ারুল ইসলামের বাবা আব্দুর রহমান মিন্টু বলেন, ‘আমার স’ন্তানের মৃ’ত্যু মেনে নিতে খুব ক’ষ্ট হচ্ছে। স’রকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে সে। এ জন্য আমি গর্ব অনুভব করি। আমি চাই, আমার ছেলের হ’’ত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক সাজা।’

কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু স’রকার জানান, বেলা সাড়ে ৩টায় এএসআই পিয়ারুল ইসলামের প্রথম জানাজা হয় রংপুর পুলিশ লাইনস মাঠে। দ্বিতীয় জানাজা রাত ৯টায় তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজে’লার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া স’রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, ‘পিয়ারুলের মৃ’ত্যু মেনে নিতে পারছে না তার পরিবারসহ এলাকাবাসী।

সে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিল। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সে বড়। তার বাবা আব্দুর রহমান মিন্টু চন্দ্রপাড়া স’রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।’ পিয়ারুল এক যুগ ধরে পুলিশে কর্মরত। সবশেষ তিনি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগের আওতায় হারাগাছ থানায় কর্মরত ছিলেন। তার এক ছেলের বয়স ৭ বছর, অন্যটির দেড় বছর।