পুলিশ ও ইউএনও’র মা’মলায় প্রধান আ’সামি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : আগস্ট 19, 2021 09:15:52 অপরাহ্ন
0
32
views

সারাদেশ: বরিশাল সদর উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুনিবুর রহমানের স’রকারি বাসভবনে হা’মলা ও পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সং’ঘর্ষের ঘটনায় দা’য়ের হওয়া দুটি মা’মলাতেই এক নম্বর আ’সামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে।

দুটি মা’মলারই এজাহারে কপি সমকালের হাতে এসেছে। বরিশাল মহানগর পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আলী আশরাফ মিঞা জানান, বুধবার রাতে স’রকারি বাসভবনে হা’মলা ভাং’চুরের অ’ভিযোগ এনে সদর উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান বা’দী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ ও অ’জ্ঞাতনামা ৭০-৮০ জনকে আ’সামি করে মা’মলা দা’য়ের করেছেন।

একই ঘটনায় স’রকারি কাজে বা’ধা, জনগণের ও’পর হা’মলা ও পুলিশের কাজে বা’ধা দেয়ার অ’ভিযোগে কোতোয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক শাহ জালাল মল্লিক বা’দী হয়ে পৃথক আরেকটি মা’মলা দা’য়ের করেছেন। মা’মলা দুটি দা’য়ের হয়েছে কোতোয়ালী মডেল থানায়। দুটি মা’মলাতেই প্রধান তথা হুকুমের আ’সামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে।

দুটি মা’মলারই দুই নম্বর আ’সামি গ্রে’প্তার হওয়া মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু। এছাড়া উভ’য় মা’মলায় আ’সামি করা হয়েছে জে’লা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব হোসেন খান, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত ও আতিকুল্লাহ মুনীম এবং মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সুমন সেরনিয়াবাতকে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যার পর এজাহারভুক্ত আরও দুই আ’সামিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত গ্রে’প্তার হয়েছে ১৫ জন। ওসি নুরুল ইসলাম জানান, গ্রে’প্তারকৃতদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অপর ১১ জনকে আ’দালতে সোপর্দ করা হলে তাদের কা’রাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আাদলত।

উল্লেখ্য, বুধবার রাত ১০টায় সদর উপজে’লা পরিষদ চত্বরে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের পক্ষে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে লাগানো ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করতে যান সিটি করপোরেশনের কর্মী পরিচয়ে একদল যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতা। এ সময় অনুমতি ছাড়া স’রকারি দপ্তরে প্রবেশে বা’ধা দেন কর্তব্যরত আনসার সদস্যরার। এক পর্যায়ে ইউএনও মুনিবুর রহমান সেখানে উপস্থিত হলে তার সঙ্গে তর্কে জড়ান যুবলীগ ছাত্রলীগের কর্মীরা। এক পর্যায়ে তারা ইউএনওর বাসভবনে ঢুকে হা’মলার চেষ্টা চালালে আনসরার সদস্যরা গু’লি করেন। এ নিয়ে রাত ২টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সং’ঘর্ষ ও ধা’ওয়া পাল্টা ধা’ওয়া হয়।