পিয়াসার নেটওয়ার্কে ২০-২৫ জন সুন্দরী রমণী!

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : আগস্ট 3, 2021 11:32:23 পূর্বাহ্ন
0
14
views

বিনোদন: মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার নেটওয়ার্কে ২০-২৫ জন সুন্দরী রমণী রয়েছে। পালাক্রমে তাদের মাধ্যমেই বসানো হয় মা’দকের জমজমাট আসর। সেই আসরে আমন্ত্রণ জানানো হতো গুলশান, বনানী, বারিধারায় বসবাসকারী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও তাদের স’ন্তানদের। গো’য়েন্দা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত রোববার রাতে রাজধানীর বারিধারার বাসায় অ’ভিযান চা’লিয়ে মা’দকদ্রব্যসহ আলোচিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকে আ’টক করা হয়। এরপর গভীর রাতে মোহাম্ম’দপুরে একটি বাসা থেকে ইয়াবাসহ মডেল মৌ আক্তারকে আ’টক করে ডি’বি। পিয়াসা ও মৌ একই সিন্ডিকে’টে কাজ করে।

পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা (কত পিস জানা যায়নি), রান্নাঘরের ক্যাবিনেট থেকে ৯ বোতল বিদেশি ম’দ, ফ্রিজে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল এবং বেশ কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া গেছে। এছাড়া পিয়াসার কাছ থেকে ৪টি স্মার্টফোন জ’ব্দ করেছে গো’য়েন্দা পুলিশ।

আর মৌয়ের বাসার ভেতরে ড্রয়িং রুমের পাশেই একটি মিনি বার দেখা গেছে। বাসার ভেতরের বেডরুমের একটি ড্রয়ার থেকে পাঁচ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট উ’দ্ধার করেন গো’য়েন্দা কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ওই বেডরুমের ভেতরে আরেকটি ড্রেসিং রুম থেকে অন্তত এক ডজন বিদেশি ম’দ উ’দ্ধার করা হয়।

গ্রে’ফতারের পর সোমবার তাদের বি’রুদ্ধে মা’দক আইনে গুলশান ও মোহাম্ম’দপুরে পৃথক দুটি মা’মলা হয়। এরপর আ’দালতে উপস্থাপন করলে উভ’য়ের তিন দিন করে রি’মান্ড মঞ্জুর হয়।

গো’য়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরী রমণীদের দিয়ে মা’দকের আসর বসিয়ে তিন ধরনের ফায়দা হাসিল করতেন পিয়াসা। আসরে আমন্ত্রিতদের বুঁদ করতে যে মা’দক ব্যবহার করা হতো তার বিল পেত পিয়াসা।

এছাড়া রমণীরা উদাম নৃত্যের সময় তাদের ও’পর যে টাকা ছিটানো হতো তার বড় অংশও পিয়াসা নিত। আর গো’পন ক্যামেরায় আসরে আগন্তুকদের ছবি তুলে ব্ল্যা’কমেইল করত। এছাড়া রমণীদের সঙ্গে রাত কা’টানো অতিথিদের পরদিন গুলশানের একটি ডায়মন্ড জুয়েলারি শপ থেকে লাখ লাখ টাকার জুয়েলারি উপহার দিতে বা’ধ্য করত। পরে ওই জুয়েলারি ফেরত দিয়ে নগদ টাকা নিয়ে নিত পিয়াসা।

তার সঙ্গে ওই ডায়মন্ড জুয়েলারি মালিকেরও ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। আর পিয়াসার নেটওয়ার্কে থাকা সদস্যদের ইয়াবার চালান আসত টেকনাফ থেকে। অভিনব কায়দায় সংগ্রহ করা হতো ওই চালান। যা গো’য়েন্দাদের কাছেও অনেকটা অজানা।

ডি’বি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর রশীদ বলেন, দুজন (দুই মডেল) একটি সংঘবদ্ধ চ’ক্রের সদস্য। তাদের বি’রুদ্ধে ব্ল্যা’কমেইলিংয়ের অনেক অ’ভিযোগ পেয়েছি। সেসব ঘটনা ত’দন্ত করতে গিয়ে তাদের বাসায় অ’ভিযান চা’লানো হয়। দুজনের বাসায় বিদেশি ম’দ, ইয়াবা ও সিসা পাওয়া গেছে। মৌয়ের বাড়িতে ম’দের বারও ছিল। তিনি বলেন, গ্রে’ফতার হওয়া দুই মডেল হলো রাতের রানি। তারা দিনের বেলায় ঘুমায় এবং রাতে অ’শ্লীল কর্মকাণ্ড করে।