দুই সতীনের বি’রোধ, স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কে’টে পালালেন স্ত্রী

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জুলাই 27, 2021 01:19:17 অপরাহ্ন
0
29
views

সারাদেশ: গাজীপুরের কালীগঞ্জে দুই স্ত্রীর বি’রোধের জেরে কৌশলে গভীর রাতে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন ও গ’লা কে’টে দ্বিতীয় স্ত্রী শ্যামলী বেগম হ’’ত্যাচেষ্টা চা’লায় বলে অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে উপজে’লার নাগরী ইউনিয়নের উত্তর রাথুরা গ্রামের মৃ’ত ছফু করাতির বাড়িতে।

আ’হত রিকশাচালক নাজমুল মৃধা (৩০) ওই গ্রামের ছফরউদ্দিন ওরফে ছফু মৃধার ছেলে। ঘটনার পর থেকে শ্যামলী বেগম প’লাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আ’হত নাজমুল মৃধার বড়বোন বিলকিস বেগম বা’দী হয়ে শনিবার সকালে কালীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ই’নচার্জ একেএম মিজানুল হক জানান, এ বি’ষয়ে একটা অ’ভিযোগ পেয়েছি।

অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রকৃত ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করা হচ্ছে। অ’ভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আছমা বেগম ও শ্যামলী নামের দুই স্ত্রী রয়েছে নাজমুল মৃধার। প্রথম স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে ঢাকায় উত্তরায় থেকে রিকশা চা’লানোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। আর দ্বিতীয় স্ত্রী শ্যামলী তার বাপের বাড়ি ঢাকার খিলক্ষেত থানার পাতিরা এলাকায় থাকেন।

ঈদের আগের দিন প্রথম স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন নাজমুল মৃধা। ২৩ জুলাই সকালে শ্যামলী তার স্বামীর বাড়িতে এসে সতীন আছমাকে বে’ধড়ক মা’রধর করে আ’হত করেন। পরে বি’ষয়টি বাড়ির লোকজন প্রাথমিকভাবে তাদের মাঝে মীমাংসা করে দেয়। ওই রাতের খাবার খেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী শ্যামলী তার স্বামীর সঙ্গে ঘুমায়। পরে রাত আনুমানিক ২টায় নাজমুলের চি’ৎকার শুনে প্রথম স্ত্রী আছমাসহ বাড়ির লোকজন দৌড়ে এসে বাড়ির পাশে শরীরের নিম্নাংশ র’ক্তে ভেজা অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

প্রথম স্ত্রী আছমাসহ বাড়ির লোকজন এসে কাপড় সরিয়ে তার গো’পনাঙ্গ ও বাম হাতের বৃ’দ্ধাঙ্গু’লি কা’টা দেখতে পান। পরে তাকে গু’রুতর র’ক্তাক্ত জ’খম ও অজ্ঞান অবস্থায় উ’দ্ধার করে উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার গো’পনাঙ্গে ২২টি সেলাই ও বাম হাতের বৃ’দ্ধাঙ্গু’লি বেশ কয়েকটি সেলাই করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহম’দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

আ’হত নাজমুল জানান, রাতে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে শুয়ে পড়ার পর শ্যামলী দরজা খুলে বারবার ঘরের বাহিরে আসা যাওয়া করতে থাকে। আমি তাকে এ রকম করার কারণ জানতে চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আমি ঘুমিয়ে পড়ি। রাতে অসহ্য য’ন্ত্রণায় ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমার গো’পনাঙ্গ র’ক্তাক্ত এবং শ্যামলীর হাতে র’ক্তাক্ত ব্লেড ও ধা’রালো বঁটি দেখতে পাই।

তিনি বলেন, এ সময় আমি তাকে জাপটে ধরার চেষ্টা করলে হ’’ত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে বঁটি দিয়ে গ’লায় কোপ দেয়। আত্মরক্ষার্থে হাত দিয়ে তা ফেরানোর চেষ্টা করলে বাম হাতের বৃ’দ্ধাঙ্গু’লি কে’টে র’ক্তাক্ত জ’খম হয়। পরে সে ঘর থেকে পা’লিয়ে যাওয়ার সময় ক্ষ’তবিক্ষ’ত অবস্থায় তাকে ধরার জন্য তার পিছনে দৌড়ে বাড়ির দক্ষিণ পাশে গিয়ে জ্ঞান হা’রিয়ে ফেলি।

তিনি আরও বলেন, আনুমানিক ৯-১০ বছর আগে পারিবারিকভাবে আসমাকে বিয়ে করি। হাফসা নামে এক কন্যা রয়েছে তার। এক বছরের ওই মেয়েকে নিয়ে সে তার বাপের বাড়ি কুমিল্লাতে চলে যায়। তিন সাড়ে বছর অপেক্ষা করে দ্বিতীয় বিয়ে করলে প্রথম স্ত্রী পুনরায় আমার বাড়িতে আসে। এ পরে থেকে নানা কিছু নিয়ে সংসারে বি’বাদ লেগেই থাকত।