আ’ম পা’ড়ায় শি’ক্ষার্থীকে থা’প্পড়, প্র’ক্টর বললেন— দা’য়িত্ব পালন করেছি

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : এপ্রিল 24, 2021 12:28:11 অপরাহ্ন
0
10
views

শিক্ষা: ক্যাম্পাস থেকে আম পাড়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আরিফুল ইসলামের বি’রুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে থা’প্পড় মা’রার অ’ভিযোগ উঠেছে। ভু’ক্তভোগী শিক্ষার্থী হাসান আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের মার্স্টার্স ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব হল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর পাঠানো ভু’ক্তভোগীর এক লিখিত অ’ভিযোগের প্রেক্ষিতে এ তথ্য জানা গেছে। অ’ভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে হাসান একই বিভাগের ছাত্রী ও তার স্ত্রী এবং বাসা মালিকের ছােট্ট মেয়েকে নিয়ে ক্যাম্পাসের ঘুরতে যান। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব হলের সামনে আম পাড়তে গাছে উঠেন এবং ৮/১০টি আম সংগ্রহ করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সেখানে উপস্থিত হয়ে হাসানকে গাছ থেকে নেমে আসতে বলেন। গাছ থেকে নেমে ভু’ক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই শিক্ষককে না চিনতে পেরে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেন এবং শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের পরিচয় দেন। এসময় ওই সহকারী প্রক্টর ভু’ক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্র হইছিস তাে কি হয়েছে! আমসহ সামনে দাড়া! তাের ছবি উঠাব’ বলে শাশায়। পরে ভু’ক্তভোগী ভু’ল স্বীকার করা সত্ত্বেও সহকারী প্রক্টর বলেন ‘ক্যাম্পাস কি অরাজকতা পাইছিস! এভাবে ক্যাম্পাসের ফল ফলাদি নিয়ে যাস! তােদের কারণে ক্যাম্পাসে কিছু থাকে না।’

একপর্যায়ে সহকারী প্রক্টর আরিফ ভু’ক্তভোগীকে সজো’রে থাপ্পড় দেন এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে তাদের আ’টকে রাখেন। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ভু’ক্তভোগীসহ অন্য দুইজনকে ছেড়ে দেয়। এ বি’ষয়ে ভু’ক্তভোগী শিক্ষার্থী হাসান আলী বলেন, ‘নিজের ক্যাম্পাসের গাছ থেকে আম পাড়ায় থা’প্পড় খেতে হলো। আমাকে থাপ্পড় মা’রার কারণে আমি শা’রীরিক ও মা’নসিকভাবে লা’ঞ্ছনার শি’কার হয়েছি। সুষ্ঠু ত’দন্ত সাপেক্ষে আমি আমার শা’রীরিক ও মা’নসিকভাবে লা’ঞ্ছনার বিচার চাই।’

অ’ভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সামনে অ’পরাধ দেখলে চুপ থাকবো না। সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো প্রটেক্ট করার।’ তিনি বলেন, আমি এ বি’ষয়ে কথা বলতে চাচ্ছিনা। তার উদ্ভট আচরণে আমি খুবই ক্ষু’ব্ধ। আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘লিখিত অ’ভিযোগ পেয়েছি। আগামীকাল সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে বি’ষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’