গণপরিবহন চালুর দাবিতে বি’ক্ষো’ভ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : এপ্রিল 22, 2021 11:06:28 অপরাহ্ন
0
20
views

ক’রো’না ভাই’রাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান ‘লকঠোর বিধি-নিষেধেও সড়কে গণপরিবহন চালাতে চান সিলেটের পরিবহন শ্রমিকরা। গাড়ি চালুর দাবিতে তারা মিছিল-সমাবেশ করেছেন।বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকালে সিলেট জে’লা বাস-মিনিবাস এবং মাইক্রোবাস শ্রমিকরা সিলেটের কদমতলী এলাকায় গণপরিবহণ চালুর দাবিতে এ বি’ক্ষো’ভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।

সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি দুই দফা দাবি জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহণ চলাচলে নির্দেশ প্রদান করতে হবে এবং ১০ টাকা কেজি দরে (ভিজিএফ) চাল শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। প্রাইভেট গাড়ি চলছে। লকডাউনের অজুহাতে শুধুমাত্র গণপরিবহন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে দেশের লাখ লাখ শ্রমিক রমজান মাসে না খেয়ে আছে। এই অমানবিক অবস্থা থেকে শ্রমিকদের মুক্তি দিতে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর নির্দেশ দিতে হবে।বক্তারা গণপরিবহন শ্রমিকদেরকে ভিজিএফ’র আওতায় এনে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দিতে সরকারের প্রতি জো’র দাবি জানান।

এদিকে চলমান ‘কঠোর বিধিনিষেধে’ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হলেও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শ্রমিকরা বি’ক্ষো’ভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। কর্মসূচি চলাকালে মানা হয়নি শা’রীরিক দূরত্ব। অধিকাংশ শ্রমিকের মুখে ছিলোনা মাস্ক।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পু’লিশের অ’তিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্ল্যাহ তাহের বলেন, লকডাউন কার্যকর করতে সিলেট মহানগর এলাকায় বিভিন্ন প্রবেশমুখে ট্রাফিক বিভাগের ছয়টি চেকপোস্ট এবং শহরের ভেতরে ১৪টি বাঁশের ব্যরিকেড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া থা’না, ফাঁড়ি, ত’দ’ন্ত কেন্দ্র সীমানাধীন এলাকায় দিবা-রাত্রী পু’লিশ টহল দিচ্ছে। জনগণকে সরকারি বিধি-নিষেধ মানাতে আম’রা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনোভাবেই গণপরিবহন চলতে দেওয়া হবেনা বলে জানান এই পু’লিশ কর্মক’র্তা।

সিলেট জে’লা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ই’স’লা’ম বলেন, ‘লকডাউনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলে। কিন্তু আমাদের বাস-গাড়ি বন্ধ। আমাদের শ্রমিকরা খাবে কী করে? তাই আজ আম’রা সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের প্রতি দুই দফা দাবি জানিয়েছি।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কঠোর বিধিনিষেধ অমান্য করে সিলেটের কদমতলী বাস টার্মিনাল থেকে রাতের আধাঁরে সিলেট-ঢাকা বাস গাড়ির বিকল্প হিসেবে প্রতিদিন ৬০-৭০টি মাইক্রোবাস চালানোর অ’ভিযোগ উঠেছে। বিনিময়ে শ্রমিক নেতাদের লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এলে তারা মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। এরপরই গণপরিবহন চলাচলের দাবিতে রাজপথে নামেন পরিবহন শ্রমিকরা।