ফে’নীতে পু’লিশের স’ঙ্গে যু’বকের হা’তাহা’তির ঘ’টনায় সেই পু’লিশ ক্লো’জড

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : এপ্রিল 20, 2021 11:14:54 পূর্বাহ্ন
0
41
views

সারাদেশ: ফেনীতে পুলিশ সদস্যদের সাথে শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের হাতাহাতি ও ধ’স্তাধ’স্তির ঘটনায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) যশমন্ত মজুম’দারকে ক্লোজড করা হয়েছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইসলাম বি’ষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। মাইনুল ইসলাম জানান, পুলিশের সাথে ধ’স্তাধ’স্তিতে জড়ানো যুবক মা’নসিকভাবে অ’সুস্থ ছিলেন।

তার সাথে পুলিশ সদস্যরা আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে পারতেন। পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী স্বাক্ষরিত ওই আদেশে এসআই যশোমন্ত মজুম’দারকে ফেনী মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফেনীর পুলিশ সুপার নুরুনবী জানান, এই ঘটনার সাথে জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে একজন উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক ও একজন কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বি’রুদ্ধে ত’দন্ত সাপেক্ষে বিভাগীও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে সোমবার (১৯ এপ্রিল) ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ফেনীর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রিকশায় বসে থাকা এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন একাধিক পুলিশ সদস্য। চলমান লকডাউনে মাস্ক পরা ও বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে চলাচল করতে বা’ধা প্রদান করছিলেন তারা। এ সময় ওই যাত্রীর সঙ্গে কথা কা’টাকাটি হয় এবং তাকে রিকশা থেকে নামতে বলেন পুলিশ সদস্যরা। এক পর্যায়ে রিকশায় থাকা ওই ব্যক্তি উচ্চস্বরে দায়িত্বরত পুলিশদের উদ্দেশে বলে ওঠেন, ‘এই দেশে পুলিশের অনেক ক্ষমতা, না!

এ সময় এক পুলিশ সদস্য তাকে জো’র করে রিকশা থেকে নামাতে চাইলে তাদের মধ্যে ধ’স্তাধ’স্তির শুরু হয়। রিকশা থেকে নামিয়ে ফেলা ওই ব্যক্তি বলতে থাকেন, তুই অন্য রিকশা ছারছিস, আমারটা ধরলি ক্যান? একাধারে তিনি পুলিশদের গালাগালি করতে থাকেন। ওই ব্যক্তি আরও আ’ক্রমণাত্মক হয়ে উঠলে পুলিশ সদস্যরা তাকে আ’ঘাত করে। এ সময় ওই ব্যক্তিও পুলিশদের পাল্টা আ’ঘাত করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় এক পর্যায়ে একাধিক পুলিশ সদস্য তাকে যাপটে ধরে এবং হ্যান্ডকাফ পরানোর চেষ্টা করেন।

ঘটনাস্থলে উচ্ছুক জনতার ভিড় জমতে শুরু করলে ওই ব্যক্তি সবার উদ্দেশে বলেন, মসজিদে কোরআন পড়তে যাচ্ছিলাম, বলছি আমাকে ছেড়ে দেন। এ সময় ওই হ্যান্ডকাফ পরতে অস্বীকৃতি জানায় এবং গালাগালিসহ এ’লোপাথাড়ি হাত-পা ছুড়তে থাকে। একই সময় তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে চি’ৎকার করে ভিডিও করতে বলে।

পরে একপর্যায়ে ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর জন্য জো’রপূর্বক মাটিতে ফে’লে চা’প প্রয়োগ করে। তারা চি’ৎকার করে বলতে থাকেন, হ্যান্ডকাফ লাগা, ধর। এ সময় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে তারা আবার ওই ব্যক্তিকে ধরে উঠান এবং হ্যান্ডকাফ পরান। এ সময় ওই ব্যক্তি এটা আওয়ামী লীগের দেশ বলে চি’ৎকার করতে থাকে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।