পেটে যার ভাত নেই, তাকে ঘরে রাখবেন কীভাবে

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : এপ্রিল 14, 2021 10:05:57 পূর্বাহ্ন
0
20
views

রাজনীতি: ক’রোনাভা’ইরাস সং’ক্র’মণ রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ পরিকল্পনাহীন বলে মনে করছেন বিএনপি মহাস’চিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের খাওয়ার কি ব্যবস্থা করছেন? এই লোকগুলোকে তো ঘরে রাখতে পারবেন না। যার পেটে ভাত নেই তাকে লকডাউন দিয়ে কী করবেন। গতকাল গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাস’চিব বলেন, স’রকারের কোনো সমন্বয় নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই, কোনো রোডম্যাপ নেই। এই যে সাতদিন দিয়েছে, তার পরে কি হবে? এখানে সবচেয়ে বেশি ক’ষ্ট পাচ্ছে দিন আনে দিন খাওয়া মানুষজন। এটা দায়িত্ব স’রকারের যে, এই মানুষগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা করা। যেটা স’রকার করতে ব্যর্থ হয়েছে সম্পূর্ণভাবে। তাহলে কি লকডাউনের বি’রোধিতা করছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে বলেন, না, আমরা বি’রোধিতা করছি না। এখন পর্যন্ত আমরা দেখছি যে একটা অকার্যকর শাটডাউন করছে।

হাজার হাজার লোকজন বেরুচ্ছে, হাজার হাজার লোক বাজারে যাচ্ছে। আবার শিল্পকলকারখানা খোলা রাখছে। দেখু’ন কতটা স্ববি’রোধিতা। তাহলে কীভাবে লকডাউন সফল করা যায়- প্রশ্ন করা হলে বিএনপি মহাস’চিব বলেন, ব্যাপারটা তো সহজ নয়, কঠিন নিঃস’ন্দেহে। আলাউদ্দিনের চেরাগ কারও হাতে নেই যে মুহূর্তে ঠিক করে ফেলবেন। রাজনৈতিক দল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিওগুলোকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করলে এই ধরনের লকডাউন সফল করা যায়। কিন্তু স’রকারের সেই উদ্দেশ্যই নেই।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার বাসায় যারা কাজ করেন, তাদের টেস্ট করানোর জন্য আমি গত তিনদিন ধরে চেষ্টা করছি। তারা প্রত্যেক দিন উত্তরায় একটা সেন্টারে যায়, প্রত্যেক দিন বলে যে, ফরম নাই করা যাবে না। শেষে গতকাল ভোর ৬টায় পাঠিয়েছি। সেখানে দেখা গেছে, তার সিরিয়াল ৫০ নম্বর। বাকিরা সিরিয়াল পায় নাই। ওই সেন্টারে দেড়শ’র বেশি হয় না টেস্ট। অর্থাৎ এখানে বড় একটা প্র’তারণার আশ্রয় নিয়েছেন স’রকার। জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। টেস্টের সুবিধাও কিন্তু সারা দেশে নাই। ২০টি জে’লায় কোনো সুবিধাই নাই, তাদেরকে বিভিন্ন জে’লায় গিয়ে টেস্ট করতে হয়।

স্বা’স্থ্য বিভাগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আজকের পত্রিকায় একটা খবর এসেছে, ১০ মাস আগে এসে এয়ারপোর্টের মধ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সাহায্যে যেসব ইক্যুপমেন্টসগুলো এসেছে, সেসব ছাড় হয়নি। সেখানে ৩০০টা ভেন্টিলেটর আছে, সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ করার সামগ্রী আছে। স্বা’স্থ্য বিভাগ কতটা ব্যর্থ হতে পারে যে, এখন পর্যন্ত সেটা ছাড় করে হাসপাতালগুলোতে পৌঁছাতে পারেনি। এই স’রকারের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।