‘স’রকারের দেওয়া ঘর আমার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে’

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : এপ্রিল 12, 2021 09:16:49 অপরাহ্ন
0
12
views

‘জায়গা আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজে’লার অ’সহায় দুই ব্যক্তি ঘর নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। আর ইউপি সদস্যদের চাহিদামতো ঘুষের টাকা দিতে না পারায় তাদের প্রতিনিয়ত তাগাদার অ’ত্যাচারে অ’তিষ্ঠ করে তুলেছেন। এর প্রতিকার চেয়ে ঘর পাওয়া রোজিনা ও নুর ইসলাম তাড়াশ উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করেছেন।

অ’ভিযোগে সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজে’লার নওগাঁ ইউনিয়নের পংরৌহালী গ্রামের রোজিনা খাতুন ও নুরুল ইসলাম স’রকারি ঘরের জন্য তাড়াশ ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। যা যাচাই বাচাই শেষে তাদের নামে স’রকারিভাবে ঘর বরাদ্দও দেওয়া হয় এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু ঘর নির্মাণ শেষ হলে ওই ইউনিয়নের (১, ২ ও ৩) সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য লতা পারভীন ও একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক স’রকারি ঘর পাওয়া দরিদ্র নুরুল ইসলাম ও রোজিনার নিকট থেকে ঘর আনতে তাদের টাকা খরচ হয়েছে বলে তাদের দুজনের প্রত্যকের নিকট থেকে ৩০ হাজার করে টাকা করে উৎকোচ দাবি করেন।

আর টাকা না দিলে ঘর ভে’ঙে দেওয়ার হু’মকি দেওয়া হবে মর্মে অ’ভিযোগ করেন নুরুল ইসলাম ও রোজিনা খাতুন। রোজিনা খাতুন অ’ভিযোগ করে জানান, ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক ও লতা খাতুন প্রতিনিয়তই আমার নিকট থেকে ওই ঘুষের ৩০ হাজার টাকার জন্য তাগাদার পাশাপাশি সে টাকা না দিলে দেখে নেওয়াসহ নানা ধরনের হু’মকি দিচ্ছেন।

এদিকে আরেক স’রকারি ঘর পাওয়া নুরুল ইসলাম জানান, স’রকারের দেওয়া ঘর এখন আমার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ইউপি সদস্য লতা ও আব্দুল খালেক আমার কাছে ঘুষ বাবদ ৩০ হাজার টাকা দাবি করছেন। আর স’রকারি ঘর আনতে তাদের অনেক টাকা খরচ হয়েছে বলে তারা এ ঘুষ চাচ্ছেন। তা ছাড়া তারা আমাকে বলছেন, ওই টাকা না দিলে মা’মলা করে হ’য়রানি করা হবে।

এ ছাড়া অপর ইউপি সদস্য লতা বেগম বলেছেন ঘরের জন্য ৩০ হাজার টাকা না দিলে আমার নামে থাকা বয়স্ক ভাতার কার্ডও বাতিল করে দেবেন। তাই বা’ধ্য হয়ে আমি তাড়াশ উপজে’লা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অ’ভিযোগ করেছি। এ অ’ভিযোগ প্রসঙ্গে নওগাঁ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, সব মি’থ্যা কথা। আমি তাদের নিকট থেকে কোনো টাকা চাই নাই। সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্যা লতা খাতুন বলেন, আমি ষ’ড়যন্ত্রের শি’কার।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাউল করিম বলেন, অ’ভিযোগ পেয়েছি। লকডাউনের পর ত’দন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুত্রঃ কালের কণ্ঠ