ছা”ত্রকে ব”লাৎ”কারের পর কো”রআন ধ”রিয়ে গো”পন রা”খার শ”পথ ক”রান মা”দ্রাসা শি”ক্ষক!

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : এপ্রিল 8, 2021 05:14:47 অপরাহ্ন
0
35
views

কি”শোরগঞ্জ জে”লার কুলিয়ারচর উপজে’লার পৌর এলাকার বড়খারচর আদর্শ নূরানী ও হাফিজয়া মাদ্রাসার মোহতারিম হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব আলী (৩৫) এর বি”রুদ্ধে নিজের এক ছাত্রকে ব”লাৎ”কার করার অ”ভিযোগে থানায় মা’মলা হয়েছে। ব”লাৎ”’কারের বি’ষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ওই ছাত্রকে কোরআন শরীফ ধরিয়ে শপথনামা পাঠ করান বলে অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। অ”ভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব আলী উপজে’লার উছমানপুর ইউনিয়নের উছমানপুর গ্রামের সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল কাদিরের ছেলে।

ছাত্রের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাদের ছোট ছেলে (১১) গত ২ এপ্রিল মা”দ্রাসা থেকে বাড়ি আসার পর আর মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে তাকে একাধিকবার মা”রধর করেন তারা। তারপরও সে মাদ্রা”সায় যেতে অস্বী”কৃতি জানায়। একপর্যায়ে পরিবারের চা”পে ওই ছাত্র গত বুধবার (৬এপ্রিল) সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার নাম করে মাকে নিয়ে সোজা কুলিয়ারচর থানার গে”ইটে নিয়ে যায়। তখনও মা বুঝতে পারেনি কি হয়েছে।

মা তখন স”ন্দেহ করেন যে, ছেলেকে মা”রধর করেছে এজন্য অ”ভিযোগ করতে হয়তো থানায় নিয়ে এসেছে। ছেলে পুলিশের কাছে মা’রধরের অ”ভিযোগ করবে এমন ভ’য় থেকে মা ছেলেকে থানার সামনে থেকে বুঝিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তারপর ওই ছাত্র তার মা’কে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতির নিকট নিয়ে যেতে বলে। মা তখন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাস্টারের নিকট নিয়ে গেলে, কমিটির সভাপতির কাছে ছেলেটি তার সাথে হওয়া নি’র্মমতার (ব”লাৎ’কার) ঘটনা খুলে বলে এবং অ’ভিযোগ করার জন্য তাকে থানায় নিয়ে যেতে বলেন মাদ্রাসার সভাপতিকেও। শি”শু ছেলের এমন কথা শুনে ‘থ’ হয়ে যান মাদ্রাসার সভাপতি।

বি’ষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে স্থানীয় একটি মহল বি’ষয়টি স্থানীয়ভাবে ধা”মাচা”পা দেওয়ার চেষ্টা চা’লায়। বি’ষয়টি স্থানীয় গণামা”ধ্যমকর্মীদের কানে পৌঁছায়। ফেসবুকেও বি’ষয়টি নিয়ে পোস্ট হলে বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার ত’দন্ত ও বিচারের দাবি উঠে। এদিকে নি”র্যাতিত ছাত্রের বড় ভাই এই ঘটনার বিচারেব দাবিতে উপজে’লা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার মেয়র ও উপজে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি’র নিকট বিচার চেয়ে পৃথক পৃথক ভাবে অ’ভিযোগ করেন।

নি”র্মম নি”র্যাতনের শি’কার মাদ্রাসার ছাত্র সাং”বাদিকদের জানায়, মাদ্রাসার ইয়াকুব আলী হুজুর তাকে গত ৩১ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে খা’রাপ কাজ করেছে। খা”রাপ কাজ করার পর কোরআন শরীফে ধরিয়ে তাকে কসম কা’টায় এ ঘটনার কথা কাউকে না বলার জন্য।

এর আগেও তাকে ওই হুজুর খা”রাপ কাজ করে। তখন ভ”য়ে কাউকে কিছুই বলতে সে সাহস পায়নি। এরপর বুধবার (৭ এপ্রিল) রাত ১০টা ৫মিনিটের সময় নি”র্যাতনের শি’কার ছাত্রের বাবা বা”দী হয়ে অ’ভিযুক্ত ওই মাদ্রাসার শিক্ষকের বি”রুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় একটি মা’মলা (নং-৪) রুজু করেন। মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক শি”শু ছাত্র ব”লাৎ”’কারের ঘটনার তীব্র নি”ন্দা জানিয়ে দৃষ্টা”ন্তমূলক শা”স্তি দাবি করেছেন কুলিয়ারচর উপজে’লা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইয়াছির মিয়া।

এ বি’ষয়ে অ”ভিযুক্ত হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব আলী’’র সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থা”কায় আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ই”নচার্জ (ওসি) এ.কে.এম সুলতান মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মাদ্রাসা ছাত্র ব’লাৎ’কারের ঘটনায় হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব আলী’র বি’রুদ্ধে থানায় একটি মা’মলা রুজু করা হয়েছে।

আ”সামিকে গ্রে”প্তারের চে’ষ্টায় তৎপর রয়েছে পুলিশ। সুত্রঃ বিডি ২৪ লাইভ