মেডিকেল প্রশ্ন ফাঁ’স করে ২৩ কোটি টাকার মালিক চিকিৎসক দম্পতি

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী 24, 2021 02:05:06 অপরাহ্ন
0
677
views

কোচিং সেন্টারের আড়ালে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁ’স করে বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছেন চিকিৎসক দম্পতি ডা. মুহাম্ম’দ ময়েজ উদ্দীন আহমেদ প্রধান ও তার স্ত্রী ডা. সোহেলী জামান। তাদের ৪৮টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২৩ কোটি টাকা লেনদেনের সন্ধান পেয়েছে পুলিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এখন তাদের বি’রুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁ’স মা’মলার পাশাপাশি মানি লন্ডারিং মা’মলা দা’য়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত বছর থেকে ময়েজ উদ্দিন প’লাতক রয়েছেন। তবে তার স্ত্রী সোহেলী নিজ বাসাতেই আছেন। সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, তারা দুজন ছাড়াও আরও অন্তত ১৫ জনের বি’রুদ্ধে মানি লন্ডারিং মা’মলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। জানা গেছে, ২০০৮ থেকে ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত ময়েজ উদ্দিনের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৩৯টি হিসাব ও এফডিআর পাওয়া যায়। এসব হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ১৯ কোটি ১৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা জমা করেছেন।

এর মধ্যে ১৮ কোটি ১৮ লাখ ২৪ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। তার নামে রাজাবাজারে বাড়িরও সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি তার স্ত্রী সোহেলীর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৯টি হিসাব ও এফডিআর পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে তিনি তিন কোটি ৩৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা জমা করেন। তবে এরমধ্যে তিন কোটি ৩৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ময়েজকে গ্রে’প্তারে নিয়মিত অ’ভিযান চা’লানো হচ্ছে।

খতিয়ে দেখা হচ্ছে তার স্ত্রীর ব্যাংক লেনদেনও। অন্যদের বি’ষয়ে অনুসন্ধান চলছে। ত’দন্ত শেষে চার্জশিট দেওয়া হবে অ’ভিযুক্তদের বি’রুদ্ধে।’ সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁ’স চ’ক্রের অন্যতম সদস্য ডা. ময়েজ। চ’ক্রের অন্যতম প্রধান হোতা জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া মুন্নু’র সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ট সম্পর্ক তার। পারভেজ, সানোয়ার, দিপুসহ চ’ক্রের কয়েকজন পুলিশের জি’জ্ঞাসাবাদে ও আ’দালতে দেওয়া জবানব’ন্দীতে এ চিকিৎসক দম্পতির নাম বলেছেন।

এরপর তারা ময়েজের বি’ষয়ে ত’দন্ত শুরু করেন। তবে তা আগেই আত্মগো’পনে চলে যান ময়েজ। সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, ময়েজ মূলত চোখের ডাক্তার। জসিম ও তার পরিবারের সদস্যরা চোখের স’মস্যা নিয়ে চিকিৎসায় ময়েজের কাছে গেলে তাদের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে ২০০৬ সাল থেকে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে প্রশ্ন ফাঁ’স শুরু করেন তারা। চিকিৎসার পাশাপাশি ফেইম নামে একটি মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার চালাতেন ময়েজ।

এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী সংগ্রহ করাই ছিল তার কাজ। স্ত্রী সোহেলী জামানও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে এ অ’ভিযোগ মি’থ্যা দাবি করে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউশনে কর্মরত ডা. সোহেলী জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বি’রুদ্ধে আনা অ’ভিযোগ মি’থ্যা, আমার কোনও অর্থ নেই। আমার ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ময়েজ অর্থ লেনদেন করেছেন। আমি এর সঙ্গে জ’ড়িত না।’ সুত্রঃ ডেইলি ক্যাম্পাস