কাদের মির্জার বি’রুদ্ধে ক’ঠোর আওয়ামী লীগ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী 21, 2021 09:39:49 পূর্বাহ্ন
0
38
ভিউ

রাজনীতিঃ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বি’রুদ্ধে তোপ দাগানোর পর হরতাল-সং’ঘর্ষে জড়িয়ে দলের বিরাগভাজন হয়েছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা। শেষ পর্যন্ত তাঁর বি’রুদ্ধে ক’ঠোর অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাঁকে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক দুই দিক থেকেই চা’পে ফেলা হবে।

একই সঙ্গে বসুরহাটে কর্মসূচির নামে জনজীবনে অশান্তি সৃষ্টি করলে কাদের মির্জা ও তাঁর অনুসারী নেতাকর্মীদের বি’রুদ্ধে ক’ঠোর হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আর ক্ষু’ব্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা কাদের মির্জা সংযত না হলে তাঁর বি’রুদ্ধে ক’ঠোর সাংগঠনিক শা’স্তির কথা ভাবছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের পাঁচ নেতা এমনটাই জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, কাদের মির্জার কর্মকাণ্ডের বি’ষয়ে দলটির কার্যনির্বাহী সং’সদের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিগগিরই এ সভা আহ্বান করা হচ্ছে। গতকাল কাদের মির্জার মিছিলে পুলিশ লা’ঠিপে’টা করেছে। এতে তাঁর অনুসারী অন্তত ১২ নেতাকর্মী আ’হত হয়েছেন।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী জে’লা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজে জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে কাদের মির্জাকে বসুরহাট উপজে’লা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁকে দল থেকে ব’হিষ্কার করার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সং’সদের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়। তবে রাতে সুপারিশ প্রত্যাহারের কথা জানান জে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি। আর এ বি’ষয়ে মন্তব্য করতে চাননি ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পাঁচ নেতা বলেছেন, কাদের মির্জা অনেক দিন ধরেই হরতাল, সভা-সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বি’রুদ্ধে বি’ষোদগার করায় দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেকেই ক্ষু’ব্ধ ও বিব্রত। টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নোয়াখালীর সং’সদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ও ফেনীর সং’সদ সদস্য নিজাম হাজারীর সঙ্গে কাদের মির্জার বি’রোধ ও প্রকাশ্যে কাদা-ছোড়াছুড়ি চলছে। এই বি’বাদ ক্রমেই সহিং’সতায় রূপ নিচ্ছে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাঁর ছোট ভাই কাদের মির্জাকে ক’ঠোরভাবে সতর্ক করে দিলেও তাতে বি’রোধ মেটেনি।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যা ঘটছে এটা অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য। কাদের মির্জা বিভ্রান্ত হয়ে বিপথে পরিচালিত হচ্ছেন। যেসব কথা বলছেন, তাতে দলের ক্ষ’তি হচ্ছে। আমি মানুষের বাকস্বাধীনতায় পুরোপুরি বিশ্বাসী। কিন্তু রাজনীতি বা দল করতে গেলে দলীয় শৃঙ্খলা মানতে হয়। আমাদের কারো কোনো ভু’লভ্রান্তি থাকলে তা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করতে হবে। রাজনীতিবিদদের অনেক কিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। সব সময় সব কিছু বলা যায় না। উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা করতে হয়। আওয়ামী লীগ একটি মাল্টিক্লাস পার্টি। এখানে নানা ধরনের মানুষ আছে। এ বাস্তবতা মানতে হবে। দল করলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে।’

দলের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য মুহাম্ম’দ ফারুক খান বলেন, ‘কেন গোলমালটা হচ্ছে তা আমার জানা নেই। যদি রাজনৈতিক কারণে হয়ে থাকে, তবে তা দেখার জন্য চট্টগ্রাম বিভাগে আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা রয়েছেন। নিশ্চয়ই তাঁরা বি’ষয়টি দেখছেন। আর যদি আধিপত্য বিস্তারের জন্য হয়ে থাকে, আইন-শৃঙ্খলা অ’বনতির মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তবে তা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেখবে। আমার মনে হয়, তারা এরই মধ্যে বি’ষয়টি দেখছে।’

সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান আরো বলেন, ‘যা ঘটছে তা আমাদের দলের জন্য ভালো হচ্ছে না। আমার মনে হয়, এ বি’ষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘দল করলে দলের সিদ্ধান্ত, শৃঙ্খলা মানতে হবে। দলের বি’রুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলার ঢালাও অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। রাস্তাঘাটে যেখানে-সেখানে কাদের মির্জা দলের বি’রুদ্ধে বি’ষোদগার করছেন, সে অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে? আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেউই এটাকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না।’ এ বি’ষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহম’দ হোসেন।

তবে ক্ষমতাসীন দলটির কেন্দ্রীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কাদের মির্জা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন, এতে কোনো স’ন্দেহ নেই। কিন্তু নোয়াখালী ও ফেনীর প্রভাবশালী একাধিক নেতার বি’রুদ্ধে তিনি যে অ’ভিযোগগুলো তুলছেন, সেগুলো মি’থ্যা নয়। সে জন্যই কাদের মির্জার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দোটানায় আছে দল।

গতকাল দ্বিতীয় দফা হরতাল ডেকে বসুরহাট থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও পুলিশ কাদের মির্জা ও তাঁর সমর্থকদের লা’ঠিপে’টা করে হটিয়ে দেয়। কাদের মির্জা নোয়াখালীর জে’লা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান, পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল হক রনি, পরিদর্শক (ত’দন্ত) রবিউল হককে প্রত্যাহার, নোয়াখালীর সং’সদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনীর সং’সদ সদস্য নিজাম হাজারী, কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল. চরকাঁকড়া আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজকে দল থেকে ব’হিষ্কারের দাবিতে হরতাল কর্মসূচি দেন।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা হরতালের সমর্থনে বসুরহাটে মিছিল বের করেন। মিছিলটি বসুরহাট রূপালী চত্বর থেকে থানার দিকে যায়। এ সময় থানার সামনে অবস্থানকারী পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বা’গবি’ত’ণ্ডা হয় কাদের মির্জার। এক পর্যায়ে তিনি মিছিল নিয়ে অগ্রসর হলে পেছন থেকে পুলিশ ধা’ওয়া দেয় এবং লা’ঠিপে’টা করে। এ সময় মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ছড়িয়ে গেলেও কাদের মির্জা সড়কের ও’পর প্রায় আধাঘণ্টা বসে থাকেন। পরে তাঁকে সেখান থেকে আওয়ামী লীগ ও পরিবারের লোকজন পৌরসভা কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

পুলিশের লা’ঠিপে’টায় আ’হত কাদের মির্জার অনুসারীরা হলেন উপজে’লা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ছারওয়ার, বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রাজীব, মাসুদ, পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুবলীগ নেতা আরজু প্রমুখ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোম্পানীগঞ্জে দুজন ম্যা’জিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। এ ছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জে র‌্যা’ব, পুলিশের গো’য়েন্দা শাখার (ডি’বি) সদস্য ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, সকালে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা লা’ঠিসোঁটা নিয়ে থানার দিকে হা’মলা করতে আসেন। এ সময় থানার সামনে অবস্থানকারী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে কাদের মির্জা অশালীন উক্তি ও মারমুখী আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে থানার ভেতরে ঢুকে পড়তে চাইলে পুলিশ ধা’ওয়া করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

মিছিলে পুলিশের লা’ঠিপে’টার পর আব্দুল কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরসভার রূপালী চত্বরে সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি অ’ভিযোগ করেন, আগের দিন শুক্রবার উপজে’লার চা’পরাশিরহাটে তাঁর সমর্থকদের ও’পর সাবেক উপজে’লা চেয়ারম্যন মিজানুর রহমান বাদলের নেতৃত্বে হা’মলা ও গু’লিবর্ষণ করে অন্তত ২০ জনকে আ’হত করে। এর মধ্যে সাতজন গু’লিবিদ্ধ হয়। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগ তুলে নোয়াখালী-৪ আসনের সং’সদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনীর সং’সদ সদস্য নিজাম হাজারী ও মিজানুর রহমান বাদলের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তির দাবি জানান।

কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল পেশকার হাট রাস্তার মাথায় দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের বি’রুদ্ধে মি’থ্যাচার ও অশালীন বক্তব্য দিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আব্দুল কাদের মির্জাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে ব’হিষ্কার করার দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আব্দুল কাদের মির্জাকে অবিলম্বে গ্রে’প্তার করে উন্নত মানের মা’নসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হোক।’

ব’হিষ্কারের সুপারিশ করে পরে প্রত্যাহার

কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল কাদের মির্জাকে সংগঠনের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁকে দল থেকে ব’হিষ্কার করতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সং’সদের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় নোয়াখালী জে’লা আওয়ামী লীগ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কয়েক সপ্তাহ ধরে কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা দলীয় নেতাকর্মীদের ও’পর স’ন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে গু’রুতর আ’হত করেছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও নোয়াখালী জে’লা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে মি’থ্যা, অশালীন ও আ’পত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে সংগঠনবি’রোধী অশোভনীয় মন্তব্য ও নেতাকর্মীদের হু’মকি দিয়েছেন। এসব অ’ভিযোগে আব্দুল কাদের মির্জাকে সংগঠনের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।’

অবশ্য পরে সেই সুপারিশ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানান জে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার দুই ঘণ্টা পরে তা প্রত্যাহার করেছি। যেহেতু বি’ষয়টি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে অবগত আছেন, সুতরাং আমরা তাঁর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকব। আর এলাকার শান্তি রক্ষার্থেও কাদের মির্জাকে ব’হিষ্কারের সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহারের প্রয়োজন ছিল।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতির সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্ম’দ একরামুল করিম চৌধুরীর স্বাক্ষর থাকলেও প্রত্যাহারের বি’ষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

গোলাগু’লির ঘটনায় বাদলের মা’মলা

কোম্পানীগঞ্জের চা’পরাশিরহাট বাজারে মির্জা কাদের ও মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীদের মধ্যে সং’ঘর্ষ ও গোলাগু’লির ঘটনায় একটি মা’মলা হয়েছে। বাদল বা’দী হয়ে ৪৪ জনকে আ’সামি করে মা’মলা করেছেন। গতকাল রাত পৌনে ৮টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি আরো জানান, মা’মলাটি করা হয়েছে শুক্রবার রাতে। এতে প্রধান আ’সামি করা হয়েছে চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটনকে। মা’মলায় অ’জ্ঞাতপরিচয় আরো ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আ’সামি করা হয়েছে।

অন্যদিকে মির্জা কাদেরের অনুসারীরাও মা’মলা দা’য়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, সাবেক উপজে’লা চেয়ারম্যান বাদল সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে মি’থ্যাচারের প্র’তিবাদে চা’পরাশিরহাট বাজারে গত শুক্রবার বিকেলে সমাবেশ ও বি’ক্ষো’ভ মিছিলের ডাক দেন। তাঁর অনুসারীরা মিছিল করতে গেলে কাদের মির্জার সমর্থকদের সঙ্গে ধা’ওয়াধাওয়ি, সং’ঘর্ষ ও গোলাগু’লির ঘটনা ঘটে। এতে চারজন গু’লিবিদ্ধ এবং অন্তত ৩৫ জন আ’হত হন।

এর আগে বৃহস্পতিবার কাদের মির্জা কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লা আওয়ামী লীগের কমিটি ভে’ঙে দিলে দলের দুই পক্ষের মধ্যে উ’ত্তেজনা সৃষ্টি হয়।