২৭ বছর ধরে স’রকারী দুই প্রতিষ্ঠানের বেতন তুলছেন তিনি

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী 12, 2021 09:17:30 অপরাহ্ন
0
325
ভিউ

সারাদেশঃ একই সাথে দুটি স’রকারী প্রতিষ্ঠানে ২৭ বছর ধরে চাকরি করছেন কানু কুমার নাথ। একদিকে তিনি হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউপি স’চিব অন্যদিকে তিনি ফটিকছড়ির হেয়াকোঁ বনানী ডিগ্রি কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক। স’রকারী দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই তিনি বেতন ভাতা তুলছেন। তথ্য গো’পন করে কানু কুমার এই কাজ দীর্ঘদিন ধরে করে চলেছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন- একাধিক চাকরি করে স’রকারি দুইটি খাত থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করা দু’র্নীতির শামিল। তার বি’রুদ্ধে আইন অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, ১৯৯১ সালের ১ এপ্রিল হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউপি স’চিব হিসেবে যোগ দেন মিরসরাইয়ের বাসিন্দা কানু কুমার নাথ। এরপর থেকে ইউপি স’চিব হিসেবে স’রকারি কোষাগারের বেতন-ভাতা নিচ্ছেন তিনি।

তবে ইউপি স’চিব হিসেবে স’রকারি চাকরি করার তথ্য গো’পন করে ১৯৯৪ সালের ৮ মে ফটিকছড়ির হেয়াকোঁ বনানী ডিগ্রি কলেজে বাংলার প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন কানু কুমার নাথ। কলেজটি এমপিওভুক্ত হওয়ায় কানু কুমার নাথও এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে স’রকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা নেওয়া শুরু করেন। এখন এই কলেজের এমপিওভুক্ত সহকারী অধ্যাপক হিসেবে স’রকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন তিনি।

২৭ বছর ধরে কানু কুমার নাথ দুইটি চাকরিতে স’রকারি দুইটি খাত থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করলেও বি’ষয়টি জানাজানি হয় গত ১১ ফেব্রুয়ারি। হাটহাজারী উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন এই তথ্য উদঘাটন করেন।

ইউএনও বলেন, ইউপি স’চিব হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করা, একই ব্যক্তি হয়ে দুইটি পদে কর্মরত থেকে দুইটি স্থান থেকে স’রকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের বি’ষয়টি জে’লা প্রশাসক, স্থানীয় স’রকার বিভাগ এবং শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। এ বি’ষয়ে তারা ব্যবস্থা নেবেন।

হেঁয়াকো বনানী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ফারুকুর রহমান জানান, কানু কুমার নাথ ধূর্ত প্রকৃতির লোক। তিনি ইউপি স’চিব হিসেবে স’রকারি দায়িত্ব পালনের কথা আমাদের কাছে গো’পন করেছেন। দুইটি ভিন্ন উপজে’লা হওয়ায় আমরাও বি’ষয়টি জানতাম না। হাটহাজারীর ইউএনও সাহেবের কাছ থেকে বি’ষয়টি জানতে পেরে কানু কুমার নাথকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ৩ দিনের মধ্যে এ বি’ষয়ে তার বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে। অ’পরাধ আমলে নিয়ে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়কে জানাবো।

অ’ভিযোগের বি’ষয়ে জানতে কানু কুমার নাথের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।