৬ বার প্লাজমা দান করে রেকর্ড গড়লেন ‘গরিবের ডাক্তার’ ফুয়াদ হালিম

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 21, 2021 04:03:38 অপরাহ্ন
0
20
ভিউ

ক’রোনা আ’ক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পর কনভালোসেন্ট প্লাজমা দান করার ক্ষেত্রে নজির স্থাপন করলেন ‘গরিবের ডাক্তার’ ফুয়াদ হালিম৷ পরপর ৬ বার কনভালোসেন্ট প্লাজমা দান করলেন তিনি৷ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার আব্দুল হালিমের পুত্র হলেন ফুয়াদ হালিম৷ মঙ্গলবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগে ষষ্ঠবার প্লাজমা দান করলেন৷ তারপর তিনি জানালেন,সম্ভবত ভারতে আমিই প্রথম 6th time কোভিড ১৯ কনভালোসেন্ট প্লাজমা দান করতে পেরেছি৷

আরও তিন কোভিড রো’গীর পাশে দাঁড়ানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য আমি খুশি৷ ক’রোনা আ’ক্রান্তদের চিকিৎসা করতে কনভালোসেন্ট প্লাজমা থেরাপি পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে গোটা দেশজুড়ে। এ রাজ্যে সেই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছিল কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের হাত ধরে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে৷ রাজ্যে ‘গরিবের ডাক্তার’ বলে পরিচিত ফুয়াদ হালিম৷ তার নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক ক’রোনাকালে ৫০ টাকার ডায়ালাইসিস করেছেন৷

উল্লেখ্য,১২ বছর আগে ফুয়াদ হালিম নিজের পরিবার, দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে একটি হাসপাতাল গড়েন৷ নাম দেন ‘কলকাতা স্বা’স্থ্য সংকল্প’৷ পার্ক স্ট্রিটের পাশের কিড স্ট্রিটের এমএলএ হোস্টেলের বিপরীতে বাড়ির পাশেই ওই হাসপাতাল৷ এই হাসপাতালে মূলত গরিবদের ৫৫০ টাকায় ডায়ালিসিস করা শুরু হয়৷ পরে তা আরও কমিয়ে লকডাউনের আগে পর্যন্ত ৩৫০ টাকায় করা হয়৷ আর লকডাউনে প্রথম থেকেই মাত্র ৫০ টাকায় ডায়ালিসিস করে সারা ফে’লেন চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম৷

কিন্তু চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম নিজেই গত জুলাই মাসে ক’রোনা আ’ক্রান্ত হন৷ সেই সময় হঠাৎ অ’সুস্থ বোধ করায় ‘হোম আইসোলেশন’-এ চলে যান৷ কিন্তু শা’রীরিক স’মস্যা বাড়তে থাকায় পরপর দু-বার ক’রোনা পরীক্ষা করা হয়৷ দু’ বারই সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে৷ তারপরেও অবশ্য তার শ্বাসক’ষ্ট কমেনি৷ তাই তাকে মিন্টো পার্কের একটি বেস’রকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ এবং চেষ্ট এক্সরে, সিটি স্ক্যান-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়৷ পরে আইসিইউ-তে দেওয়া হয়৷

তার পরই ফুয়াদ হালিমের স্ত্রী সাইরা শাহ হালিম জানিয়েছিলেন, ক’রোনা পরীক্ষা করা হলেও প্রথমে নেগেটিভ আসে৷ কিন্তু পরে পজিটিভ আসে৷ তার টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, ‘কোভিড মো’কাবিলায় প্রথম সারির যো’দ্ধা হওয়ার পাশাপাশি ম’হামা’রি চলাকালীন বহু অসহায় ,দরিদ্র, অ’সুস্থ মানুষের সেবা করেছেন আমার স্বামী ডাঃ ফুয়াদ হালিম৷ সুত্রঃ কলকাতা ২৪*৭