সাংবাদিককে আ’টকে রেখে নি’র্যা’তন, দুই পু’লিশের বি’রুদ্ধে আ’দালতে মা’মলা

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 14, 2021 08:45:08 অপরাহ্ন
0
15
ভিউ

ইকবাল শাহিন, ময়মনসিংহ: দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক খায়রুল আলম রফিককে অ’মানুষিক নি’র্যাতনের অ’ভিযোগে তৎকালীন ময়মনসিংহ জে’লা গো’য়েন্দা সংস্থা ডি’বি পু’লিশের এস’আই আক্রাম হোসেন ও জুয়েল নামের এক পু’লিশ সদস্য সহ অ’জ্ঞাত আরো ৭/৮ জন উল্লেখ করে জে’লা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ জে’লা ও দায়রা জজ বাহাদুর আ’দালতে মা’মলার অ’ভিযোগ দা’য়ের করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের পক্ষে আইনজীবি এ্যাডভোকেট খায়ের আ’দালতে অ’ভিযোগপত্র দাখিল করেন।

নি’র্যাতন এবং হে’ফাজতে মৃ’ত্যু (নিবারন) আইন ২০১৩ এরে ১৩(১), ২(খ), ১৫ (১) ও ১৫ (৩) ধারায় এই মা’মলা করা হয়। বিজ্ঞ আ’দালত অ’ভিযোগ আমলে নিয়ে বা’দী সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের জবান ব’ন্দী রেকর্ড করেছেন। বা’দীপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মা’মলার এজাহার থেকে জানা যায়, এসআই আকরাম হোসেন তাকে আ’টক করে হে’ফাজতে রাখার নামে অকথ্য নি’র্যা’তন চা’লায় যা মা’নবাধিকারের চ’রম ল’ঙ্ঘন। আক্রামের যো’গসাজশে ষ’ড়যন্ত্রমূলক ৩টি মা’মলায় গ্রে’ফতার হয়ে দীর্ঘ দুই মাস থাকতে হয় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কা’রাগারে । এরআগে তার চোখ বেঁ’ধে অ’কথ্য নি’র্যাতন করে এস’আই আকরাম হোসেন বলে অ’ভিযোগ করেন তিনি ।

এসআই আকরামের বি’রুদ্ধে সাংবাদিক রফিক ইতিমধ্যে পুলিশের ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং’ সেলে একটি অ’ভিযোগ জমা দিয়েছেন। যার অ’ভিযোগ নম্বর SL-17 এবং তারিখ ৫ই জানুয়ারি ২০২১।

অ’ভিযোগ পত্রে তিনি জানান, ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেইটের বিপরীত দিকে আমি অবস্থান করছিলাম । এসআই আকরামের নে’তৃত্বে ডি’বি পুলিশ আমার চো’খ বেঁ’ধে একটি কালো গাড়িতে করে আমার পত্রিকার কার্যালয়ে নিয়ে যায় । সেখানে থাকা আমার জমি ক্রয়ের দলিল, ব্যাংকের চেক ও কম্পিউটার জ’ব্দ করে । দলিল ও ব্যাংক চেক প্র’তিপক্ষের কাছে তু’লে দিয়ে জ’ব্দ দেখানো হয় শুধু কম্পিউটার । সেখান থেকে আমাকে নেয়া হয় ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র পুরাতন গুদারাঘাটস্থ দুর্গম চর এলাকায় । দুচোখ বেঁ’ধে দু হা’ত পেছনে বেঁ’ধে নি’র্যা’তন চা’লানো হয় ।

কিন্তু দুই বছর পরে কেন বি’ষয়টি সামনে এনেছেন এমন প্রশ্নে সাংবাদিক রফিক জানান, তিনি ঘটনাটি চক্ষু ল’জ্জার কারনে সামনে আনতে পারেননি এতদিন। তিনি জানান গত বছরের ডিসেম্বরে ২২ তারিখে অ’জ্ঞাত কোন এক ব্যক্তি তার ম্যাসেঞ্জারে চোঁ’খ বাঁ’ধা ছবি প্রদান করেন। যা দেখে তিনি আতঁকে উঠেন এবং সেই সব নি’র্যাতনের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভাসতে শুরু করে। এর পরপরই তার এই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হতে শুরু করে। একারনেই দুইবছর পর মুখ খুললেন বলে জানান তিনি।

এবি’ষয়ে এসআই আকরাম হোসেন বলেন, ওনি (খায়রুল আলম রফিক) আমার বি’রুদ্ধে কি অ’ভিযোগ দিয়েছে তা আমি এখনও দেখি নাই। আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। তবে এর আগেও ২০১৮ সালে তিনি (খায়রুল আলম রফিক) আমার নামে একটি অ’ভিযোগ স্ব’রা’ষ্ট্রম’ন্ত্রণালয় দিয়েছিল। সেটা পুলিশ হেডকোয়ার্টাস হয়ে আমাদের ময়মনসিংহে এসেছিল। এখানে আমার সিনিয়র যারা আছেন তারা বি’ষয়টি ত’দন্ত করেছে।

তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সময়ে আমার বি’রুদ্ধে করা তার (খায়রুল আলম রফিক) কোন অ’ভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তাই আমার বি’রুদ্ধে কোন অ্যা’কশন নিতে পারেনি আমার সিনিয়ররা। ওনার (খায়রুল আলম রফিক) সাথে আমার কোন শ’ত্রুতা নেই। ওনি কেন এসব করছে জানি না। আর আমি ওনাকে কোন মা’মলায় আ’টকও করিনি। আর আমার বি’রুদ্ধে যদি মা’দক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজস থাকে সেটা প্রমাণিত হলে আমার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এতে আমার কোন আপত্তি নেই।’

তথ্য সূত্রঃ বিডি২৪লাইভ