পাঁচজনকে বাঁচিয়ে গেল ২০ মাসের ছোট্ট শিশু

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 14, 2021 07:44:22 অপরাহ্ন
0
1068
ভিউ

লম্বা জীবন পেয়েও আমরা অনেকেই পরোপকার করতে পারি না। কম সময়ে ধনিষ্ঠা যে এত বড় কাজ করে যাবে কে জানত! ছোট্ট মেয়ে ধনিষ্ঠার বয়স ছিল মাত্র ২০ মাস। অর্থাত্, দুবছরও হয়নি। এই সময় তাঁর বাবা, আত্মীয়-স্বজনদের কাঁধে-কোলে চড়ে ঘোরার কথা ছিল। কিন্তু দু’র্ঘটনা যেন সব ল’ন্ডভ’ন্ড করে দিয়ে গেল।

ছোট্ট ধনিষ্ঠাকে বাঁ’চানো যা’য়নি। তবে এত কম বয়সে সে যা করে গেল, উদাহরণ হয়ে থাকবে। এদেশে ধনিষ্ঠা সব থেকে কমবয়সী Cadaver donor. ২০ মাসের মে’য়ে মৃ’ত্যুর আগে অঙ্গদান করে গেল। আর তাতে নতুন জীবন পেলেন পাঁচজন।

৮ জানুয়ারি বাড়ির দোতলার বারান্দায় খেলার সময় পা পিছলে নিচে পড়ে গিয়েছিল ধনিষ্ঠা। বেঁ’হুশ অবস্থায় প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হা’সপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চি’কিতসকরা তাঁকে বাঁ’চানোর সমবরকম চেষ্টা করেও ব্য’র্থ হন। ১১ জানুয়ারি ডাক্তাররা ঘোষণা করে গেন, ধনিষ্ঠার ব্রেন ডেথ হয়েছে। তাঁর মস্তিষ্ক কাজ না করলেও শ’রীরের অন্য অ’ঙ্গপ্রত্যঙ্গগু’লি সচল ছিল।

মেয়েকে হা’রানো শো’কের মাঝেও বাবা আশিস ও মা ববিতা ধনিষ্ঠার অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেন। আশিস বলছিলেন, হাসপাতা’লে আসার পর দেখলাম কত মা’নুষ অ’সহায় অবস্থায় রয়েছে। অঙ্গদান করলে তাঁদের মধ্যে অনেককে বাঁ’চানো যেতে পারে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিলাম। ধনিষ্ঠাকে তো আমরা হা’রিয়েই ফে’লেছি। কয়েকজনকে বাঁ’চাতে পারলে তার থেকে ভাল আর কী হয়!

অঙ্গদান করলে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ লাখ ভা’রতীয়র জী’বনে বাঁ’চতে পারে। অন্য অনেক দেশের থেকে ভারতে অঙ্গদানের হার অনেকটাই কম। আশিস ও ববিতার সি’দ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে নয়াদিল্লির স্যর গঙ্গারাম হাসপাতা’ল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতা’ল সুপার জানিয়েছেন, আশিস ও ববিতার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ওদের থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া উচিত।

সূত্রঃ জিনিউজ