প’র্নোগ্রাফি থেকে তরুণদের আসক্তি বাড়ছে সে’ক্স টয়ে

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 13, 2021 02:41:43 অপরাহ্ন
0
513
ভিউ

হঠাৎ করেই আলোচনায় সে’ক্স টয় বা যৌ’ন খেলনা। বি”কৃত যৌ’নাচারে আকৃষ্ট হয়ে বি’পদ সংকুল এই পথে হাঁটছে তরুণ প্রজন্ম। সুখের এক ভ’য়ঙ্কর অসুখে আ’ক্রান্ত হচ্ছে তারা। কিছু ক্ষেত্রে সে’ক্স টয় বা যৌ’ন খেলনা প্রয়োজনে ব্যবহার করছেন ডি’ভোর্সী ও বিধবারা। এমনকি শা’রীরিকভাবে অক্ষম স্বামীর কারণেও স্ত্রীরা ব্যবহার করছেন এটি। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প’র্ণগ্রা’ফি দেখে ভিন দেশীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সে’ক্স টয় ব্যবহার করছেন ত’রুণীরা।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর হচ্ছে, লকডাউন পরবর্তী জীবনে সে’ক্স টয় কেনার প্রবণতা বেড়েছে প্রায় শতকরা ৬৫ ভাগ। পার্টনারের কাছ থেকে ক’রোনা সং’ক্র’মণের আ’শঙ্কা রয়েছে, সে’ক্স টয়ে সে সবের বালাই নেই। অনেকে সঙ্গীকে ভিন্নরকম সুখ দিতেও এটি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করেন। তাদের অনেকেই মা’নসিকভাবে অ’সুস্থ। কেউ কেউ শরনাপন্ন হন চিকিৎসকের। এমন তথ্য রয়েছে মনোরো’গ বিশেষজ্ঞদের কাছে। সম্প্রতি রাজধানীর কলাবাগানের লেকসার্কাস এলাকায় ইংলিশ মিডিয়ামের এক ছাত্রীর মৃ’ত্যুর মধ্য দিয়ে আলোচনায় এসেছে সে’ক্স টয়। যৌ’নিপথ ও পায়ুপথ থেকে প্রচুর র’ক্তক্ষরণে মৃ’ত্যু হয় ওই ছাত্রীর।

বি”কৃত যৌ’নাচারের কারণে এটি হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে ‘হাইপো ভোলেমিক’ শকে মা’রা গেছে ওই ছাত্রী। এমনটিই জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ। তিনি বলেন, যো’নিপ’থ ও পায়ুপথে কিছু ইনজুরি আমরা পেয়েছি। মূলত সেই ইনজুরিগুলোর জন্যই সেখান থেকে র’ক্তক্ষরণ হয়েছে। ওই ছাত্রীর মৃ’ত্যুর ক্ষেত্রে বি”কৃত যৌ’নচারের বি’ষয়টি নিশ্চিত হলেও সে’ক্স টয় ব্যবহারের বি’ষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গত জুলাই মাসে ঢাকায় নানা ধরণের যৌ’ন খেলনা ও যৌ’ন উদ্দীপক বড়িসহ তিন জনকে গ্রে’প্তারের করে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। গ্রে’প্তারকৃদের মধ্যে ছিলেন হেলাল উদ্দিন (৪৯) নামে এক ব্যক্তি। তিনি বসুন্ধরা সিটিতে থাকা এশিয়ান স্কাইশপ আউটলেটের মালিক। এটিইউর অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্ম’দ মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ঢাকার অভিজাত শ্রেণির অনেকেই যৌ’ন খেলনা ও যৌ’ন উদ্দীপক বড়ি ক্রয় করেন। এসবের চাহিদা থাকায় নি’ষিদ্ধ এই যৌ’ন খেলনা ও বড়ি বিক্রি করতেন হেলাল।

জানা গেছে, সে’ক্স টয় রয়েছে মেশিনারি (ভাইব্রেটর) ও নন মেশিনারি। স্বাভাবিক যৌ’ন উপভোগ থেকে মানুষ যখন হা’রিয়ে যায়, তখনই বিক্রিত যৌ’ন উপভোগে উপনীত হয়। বি”কৃত যৌ’নচারের আকৃষ্ট হচ্ছে প’র্ণগ্রা’ফি থেকে। আর সে’ক্স টয়ের ক্ষেত্রে নারীদের কাছে আফ্রিকান বডির চাহিদা বেশি। সে’ক্স টয় নিয়ে রয়েছে জনপ্রিয় একটি শর্টফিল্ম। ড্রয়িং রুমে দাঁড়িয়ে গৃ’হবধূ। সামনের সোফায় আ’হত স্বামী ও শাশুড়ি। পাশের ঘরে ঠাকুমা। রিমোট হাতে নিয়ে টিভির ভলিউম কমাতে বোতাম চা’পেন ঠাকুমা।

এদিকে শুরু হয় বৌমার সুখের শীৎকার। কারণ ঠাকুমার হাতের বস্তুটি রিমোট ছিল না। এটি সে’ক্স টয় ভাইব্রেটরের রিমোট। অসচেতনভাবে ড্রয়িং রুমে রাখার কারণেই অঘটনটি ঘটে। সে’ক্স টয়ের বি’ষয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত হচ্ছে, প্রাকৃতিক বি’ষয়ে কৃত্রিম বডির ব্যবহার অত্যন্ত ঝুঁ’কিপূর্ণ। প’র্ণগ্রা’ফি ও বি”কৃত যৌ’নচারে বড় রকমের ক্ষ’তি হয়ে যেতে পারে। এজন্য যৌ’ন শিক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। সুত্রঃ মানব জমিন