দিহান খুবই ধার্মিক, নিয়মিত ইবাদত করতো, বিয়ের আগের সম্পর্ককে ঘৃ’ণা করতো : আমিনুল

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 12, 2021 08:54:40 অপরাহ্ন
0
420
ভিউ

গতকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে যে কলাবাগান এলাকায় ডলফিন গু’লির যে ঘটনাটি সেটি নিয়ে ‘মিশ্র প্র’তিক্রিয়া তৈরি হয়েছে মা’নুষের মধ্যে সেইসাথে আনুশকা নূর আমীনের যে-প্রে’মিক ফারদিন তার প’রিবারকে নিয়েও কথা হচ্ছে নানানভাবে এবং ক্ষ’মতার দা’পট এবং অর্থ-বি’ত্তশালী হওয়ার কারণে তারা বে’পরোয়া ভাবে চ’লাফেরা করতেন বলে জানিয়েছে অনেকেই।

দিহান নামের যেই ছে’লেটা একটা জ’লজ্যান্ত মে’য়ে’কে না ফে’রার দেশে পা’ঠিয়েছে; আমি এই ছে’লেটার ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে আজ ঘণ্টা দুয়েক সময় পর্যবেক্ষণ করেছি।

ইন্টার্ভিউ এবং অবজারবেশন আমার কাজের মাঝে’ই পরে। এই দুই প’দ্ধতি ব্যাবহার করে’ই আমি আমার যাবতীয় গবেষণার তথ্য কিংবা ডাটা সংগ্রহ করেছি সব সময়। তবে, এই ছে’লের প্রোফাইলে মাত্র দুই ঘণ্টা কাটিয়ে তো আর সায়েন্টিফিক অবজারবেশন করা সম্ভব নয়। এরপরও চে’ষ্টা করেছি এই ছেলেটা আসলে কেমন, সে কোন পরিবেশ থেকে উঠে এসছে ইত্যাদি বুঝার।

অ’বাক হয়ে আ’বি’ষ্কার করলাম- ২০১৪ সালে সে দিব্যি গাড়ি চা’লিয়ে বেড়িয়েছে। ফেসবুকে সেই ছবি আপলোডও করেছে। এই ছে’লের বর্তমান বয়েস যদি ২২ হয়; তাহলে ২০১৫ সালে তো তাঁর বয়েস ছিল ১৫ বছর।

১৫ বছর বয়েসে কি গাড়ি চালনোর লাইসেন্স পাওয়া যায়?
তাঁর বাবা-মা কি জানত না; সে দিব্যি গাড়ি চা’লিয়ে বেড়াচ্ছে?
অতি অবশ্য’ই জানত।

মাঝে মাঝে গাড়ি’র ছবি আপলোড দিয়েছে। নানান রঙের গাড়ির ছবি আপলোড দিয়েছে।
কখনো মটর বাইকের ছবি আপলোড দিয়েছে; সেই সঙ্গে নিজের ছবি।
এই সব ছবি সে আপলোড দিয়ে নানান সব নীতিকথাও ক্যাপশনে লিখেছে।
এই ছেলে বিয়ের আগে ’”যৌ”’/”ন”/তা”’কে শুধু অপছন্দ’ই করতো না; রীতিমত ঘৃ’ণা করতো!
এই বি’ষয় সে ফেসবুকেও লিখে জানিয়েছে।

এগুলো সে রীতিমত ঘৃ’ণা করতো। দো’ষিদের বি’চারও সে দা’বী করেছে।
এছাড়া জাগতিক সকল কিছুতে সে নিজেকে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ’র কাছে সমর্পণ করেছে সব সময়।
তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে মনে হলো- সে ফেসবুকে নিয়মিত ইবাদত করতো।
খুবই ধা’র্মিক; যে কিনা বি’বাহ বহি’র্ভূত স’ম্পর্ক’কে ঘৃ’ণা করে ইত্যাদি।
এই সব দেখছিলাম আর ভাবছিলাম- আমার কাছে বি’ষয় গুলো খুব পরিচিত মনে হচ্ছে।

কারন আমি নিজের জীবনে এমন দুই-একজন মা’নুষ’কে দেখেছি। এই শহরেই দেখেছি।
এদের কথা শুনলে মনে হবে- বিরাট ধা’র্মিক। বি’বাহ ব’হির্ভূত স’ম্পর্ক তো দূরের কথা; ব্যাংক থেকে ঋ’ণ নেয়া কিংবা ব্যাংকে টাকা জমা রাখা’কেও এরা হা’রাম মনে করে।

এরা রাস্তা দিয়ে বের হলে ভাই’রা মিলে নানান সব গাড়ি পর্যালোচনা করে। কোন গাড়ি কোন ব্র্যান্ডের ইত্যাদি। নানান সময় নানান সব ধর্মীয় বই কিংবা নীতিবাক্য সেয়ার করে। দেখে মনে হবে- আহা, কতো’ই না ভালো মানুষ। কতো নীতিবান! বলছি না- এইসব খা’রাপ কিছু। এইসব অতি অবশ্য’ই ভালো। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এরা কি আদৌ বাস্তবে এমন? বাস্তবে এরা ’”ম”?দ খায়। সিগারেট- টানে! শুধু কি তাই?

এদের সাথে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে; সেটা বর্ণনা করলে মনে হয় কঠিন হৃদয়ের মা’নুষেরও বুক কেঁ’পে উঠবে।
আচার-আচরণ এবং স্বভাবে এতোটাই অ’মানুষ এরা। হিং’স্র প’শুকেও হা’র মা’নাবে।
অথচ বাইরে থেকে নিজদের কতো’ই না ধা’র্মিক, ভালো আচরণের মা’নুষ হিসেবে প্রচার করে বেড়ায়। ঠিক যেমনটা দিহান নামের এই ছেলেটার ফেসবুকে গেলে দেখা যাচ্ছে।

যেই ছেলে সব কিছুতে নিজেকে আল্লাহ’র কাছে সমর্পণ করতো; সে বিনা লাইসেন্সে ১৪ বছর বয়েস থেকে গাড়ি চা’লিয়ে বেড়াচ্ছে!
যে ছে’লে বিয়ের আগে স’ম্পর্ককে ঘৃ’ণা করতো; একেই বলে দ্বি-চারিতা কিংবা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড।

এতেও আসলে আমার খুব একটা আ’পত্তি নেই। কারণ আমি জানি- যে কোন মানুষ যখন একটা কাজ করে তার একটা কর্য-কারন স’ম্পর্ক আছে। মা’নুষ তো আর বিনা কারনে এমন ডাবল-স্ট্যান্ডার্ড আচরণ করে বেড়ায় না।

পারিবারিক পরিবেশ এবং পারিবারিক মূল্যবোধ’ই মা’নুষ’কে এমন করে তৈরি করে। যেই ছেলের বাবা একজন রেজিস্ট্রার; সে কিনা একেক সময় একেক গাড়ি কিনতে পছন্দ করতো। বাবা এতো টাকা কই থেকে পেত? এই বাবাও নিশ্চয় নিজেকে খুব ভালো এবং ধা’র্মিক মা’নুষ হিসেবেই প্রকাশ করে বেড়ায়। যেটা তাঁর স’ন্তানের কাছে খুব সহজেই ট্রান্সফার হয়েছে।

১৪ বছর বয়েসে সে যখন গাড়ি চা’লিয়ে বেড়িয়েছে- তার মা কি সেটা জানত না?
অতি অবশ্য’ই জানত। এতে তাদের কিছুই যায় আসেনি। তারা হয়ত এটাকে স্মার্টনেস মনে করেছে।
সেটা কি তার মা জানত না?

বাড়ির দারোয়ান তো ঠিক’ই জানত। মা হিসেবে দারোয়ানকে কি সে কখনো জিজ্ঞেস করে দেখেছে?
অবশ্য দারোয়ান সত্য বললে এই মা হয়ত উল্টো দারোয়ান’কেই দা’য়ী করেছে।

ঘরের মধ্যে প’শু তৈরি হচ্ছে কী না দেখা জ’রুরি

না ফে’রার দেশে চলে যাওয়া ও লেভেলের ছা’ত্রী আনুশকার বয়স নিয়ে দেখা গিয়েছিল বেশ জটিলতা বলা চলে সেখানে একটি ধোঁ’য়াশা সৃষ্টি হয়েছে এবং নানান প্রশ্ন উঠেছে সেখানে আনুশকার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে চারজন জ’ড়িত থাকলেও শুধু কেন এক জনকে আ’সামি করা হচ্ছে তবে ঘটনাটি যেহেতু স্বী’কার করেছে আনুশকার প্রে’মিক বিহান এবং তাতে করে বোঝা যাচ্ছে যে সে একাই জ’ড়িত আর তার অন্য বন্ধুরা হা’সপাতালে এসেছিল যখন তার প্রে’মিক ফোন করেছিল তাদের।