যেভাবে মে’য়েটি বেঁ’চে যেতে পারত! : পুলিশ সুপার

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 9, 2021 09:09:15 অপরাহ্ন
0
1272
ভিউ

ধ”ণ করে মে’য়েটিকে হ’’ত্যা করা হয়েছে। এর দো’ষ কার? উত্তর হবে যে করেছে তারই দো’ষ। আবার কার!

অবশ্যই তার। দো’ষ আর দো’ষহী’নদের নিয়ে এই লেখা নয়। লেখছি, একটু স’সচেতন হলে কী এই ধ”ণ, এই হ’’ত্যা থেকে আমরা বাঁ’চতে বা বাঁ’চাতে পারি না? উত্তর হবে, অবশ্যই পারি।

তাহলে কীভাবে পারি?

পারি, ‘সচেতনতা’ জাগিয়ে দিয়ে।
সচেতনতা জাগিয়ে দেবার আগে দরকার প্রতিটি মা-বা’বা বা ‘অভিভাবকের নিজেদের সচতনতা জাগিয়ে নেয়া।

প্রথমে চলুন ভাবি কিছু বি’ষয় নিয়ে:

১.ওঠতি বয়স: এই সময়টা একটা স্বা’ধীনচেতা সময়। যতো ফাঁ’কি মা-বা’বার সাথে দেয়া যায়। তা দিবে। বন্ধুর সাথে ঘুরতে যাবে। বলবে ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট আছে। পকে’টে টাকা নেই। টিউশন ফি না দেয়া থেকে শুরু করে বই-খাতা থেকে টাকা চু’রি করবে। তাই ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত যথা সম্ভব মা-বাবা বা অভিভাবক নিজে উপস্থিত থেকে সব কাজ সমাধা করে দেয়ার চে’ষ্টা করা।

২. সহজে বন্ধু পাওয়া: ইন্টারনেটের এই যুগে বন্ধু পাওয়া সহজ হয়ে ওঠেছে। কার সাথে কখন কীভাবে পরিচয় হচ্ছে তা মা-বা’বা জানেন না। কেউ তো ভালো ব’ন্ধু হয়ে ওঠে। কিন্তু প্র’তারণার আশ্রয়ে থাকা বন্ধুও কম নয়।

একবার মোবাইল বা ডিভাইস হাতে দিলে তা ফিরানো ক’ষ্টকর হয়ে ওঠবে। তাই আগে থেকে তা নি’য়ন্ত্রণ করা ভালো। স্কু’ল-ক’লেজের পথে থাকলে স্মার্ট ফোন না দিয়ে বাটন ফোন দেয়া ভালো। এটি শুধু যোগাযোগের জন্য। ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত তা নি’য়ন্ত্রণ করা গেলে ভালো।

৩.ডিভাইস বা ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ: অনেকে নি’ষিদ্ধ সাইটে ঢুকে সময় ন’ষ্ট করেন। স্টুডেন্টরা বলে থাকে, গুগল থেকে তথ্য নিয়ে পড়ালেখা বা অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে। তখন তারা দরজা ব’ন্ধ করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কা’টিয়ে দেয় ব’ন্ধ ঘরে।

ইন্টারনেট লাগানো কম্পিউটার না ল্যাপটপটি আপনার ড্রইং রুম বা কমন রুমে সেট করেন। তাতে সে গো’পন কাজ না করে আসল কাজটি করবে। কারণ ড্রইং রুমে বা কমন রুমে সবার চলাচল থাকে।

৪. স’ন্তানকে বাসায় একা না রাখা: শত ব্যস্ততা থাকলেও বাসায় স’ন্তান যেন একা না থাকে। তাকে ম্যানেজম্যান্ট করুন। তাকে বুঝতে না দেয়াই ভালো, সে খা’রাপ কাজ করবে এই জন্য একা থাকতে দেয়া হচ্ছে না। বলুন, বয়স কম তোমার একা বাসায় থাকা নি’রাপদ নয়।

৫. মুভমেন্ট খেয়াল রাখু’ন: স্টুডেন্টদের এক নাম্বার কাজ হলো, পড়ালেখা। ক্লাস আর প্রাইভেট তার রুটিন কাজ থাকে। ক্লাসে ঠিকভাবে যাচ্ছে কিনা হাজিরা সিট দেখু’ন। প্রাইভেটে বা ব্যাচে পড়তে সঠিক সময় গেছে কিনা তার খবর নিন সংশ্লিষ্ট শি’ক্ষককে ফোন করে।

শ’য়তান মার্কা হলে: আপনার শত স’চেতনার পরও স’ন্তান যদি শ’য়তান মার্কা হয়। সে আ’কাম করতে যাবেই। তাই কিছু নি’রাপদ টুলস শিখিয়ে দিন তাকে।

৯৯৯

সময়ের সবচেয়ে কম সময়ে, সবচেয়ে দ্রুত রেসপন্স করে থাকে ৯৯৯ সংখ্যাটি। যা জাতীয় জ’রুরি নাম্বার হিসেবে সবার প’রিচিতি পেয়েছে। পু’লিশ ব্যবস্থাপনায় এক অনবদ্য উদাহরণ হয়েছে ইতিমধ্যে এই নাম্বার।

৯৯৯ সংখ্যাটি মোবাইলে সেইভ করুন। মেসেজ অ’পশনে গিয়ে টাইপ করে রাখু’ন, কার সাথে দেখা করতে যাচ্ছ তার ডিটেইলস। যার সাথে দেখা করতে যাবে তার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার আর নিচে নিজের সকল ডিটেইলস নাম, ঠিকানা লিখে রাখু’ন। মেসেজের প্রথমে লিখু’ন, আমি বি’পদে প’ড়েছি নিচের ঠি’কানায়। বি’পদে পড়লে যেন এক সেকেন্ডে সেন্ড অ’পশনে গিয়ে পাঠিয়ে দিতে পার।

মেসেজটি যেমন হতে পারে:

আমি বি’পদে প’ড়েছি নিচের ঠিকানায়, প্লিজ হেল্প। নাম-… পূর্ণ ঠিকানা-… মোবাইল-…। আমার নাম-… ঠিকানা-…।

লেখক: কথা সাহিত্যিক ও পুলিশ সুপার।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)