পু’লিশের বি’রু’দ্ধে আনুশকাহর বা’বা-মা’য়ের অ’ভিযো’গ

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 9, 2021 08:26:02 অপরাহ্ন
0
61
ভিউ

অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষ’রণে ব’ন্ধুর বাসায় মৃ’ত্যু হওয়া ঢাকার কলাবাগান এলাকায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কু’ল মাস্টারমাইন্ডের ‘ও’ লেভেল পর্যায়ের শি’ক্ষার্থী আনুশকাহ নূর আমিনের মা-বা’বা অ’ভিযোগ করে বলেছেন, পু’লিশ ও হা’সপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের বি’ড়ম্বনায় ফে’লেছে। আমাদের মে’য়ের জন্ম ২০০৩ সালে। পাসপোর্ট ও জন্মসনদ অনুযায়ী মে’য়ের বয়স ১৭ বছর। মা’মলা দু’র্বল করতে বয়স ১৯ লেখা হয়েছে। হয়তো আ’সামিপক্ষ পু’লিশকে ব্যবহার করে এমনটি করেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় কুষ্টিয়া সদর উপজে’লার জিয়ারখী ইউনিয়নের গ্রামের বাড়ি গোপালপুর গো’রস্তানে আনুশকাহকে দা’ফন করা হয়। দাফন শেষে এলাকাবাসী দো’ষীদের শা’স্তির দা’বিতে বি’ক্ষো’ভ ও মা’নবব’ন্ধন করেন।

আনুশকাহর বা’বা অ’ভিযোগ করে বলেন, থানা পু’লিশকে চারজনকেই আ’সামি করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু মা’ম’লা দু’র্বল হয়ে যাবে- এমন কথা বলে ‘পুলিশ একজনকে আ’সামি করে। পু’লিশ কেন এমন করল, তা বুঝতে পারছি না। চার ব’ন্ধুকেই আইনের আওতায় নেওয়ার দা’বি জানান তিনি।

কি’শোরীর বা’বা আরও বলেন, ঘটনার দিন তার মে’য়ে দুপুর ১২টা ১৯ মিনিটের দিকে তাকে ফোন দিয়েছিল। প্র’চণ্ড ব্যস্ততার কারণে তিনি ফোন ধ’রেননি। পরে দুপুর দেড়টার পর তার মা ফোন করে জানায় মে’য়ে মা’রা গেছে। হা’সপাতালে লা’শ পড়ে আছে।

কা’ন্নাজ’ড়িত কণ্ঠে কি’শোরীর মা বলেন, সকালে তিনি সিটি কর’পোরেশন কর্মস্থলে চলে যান। তার বা’বাও কারখানায় চলে যান। বেলা ১১টায় মে’য়ে ফোন করে জানায়, পড়াশোনার পেপারস নিতে বাসার বাইরে যাবে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে সে বাইরে যায়।

দুপুর ১টা ১৮ মিনিটে মে’য়ের ফোন থেকে দিহান পরিচয় দিয়ে এক ছে’লে ফোন করে জানায় আনুশকাহ অ’সুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে হা’সপাতা’লে নেওয়া হয়েছে। এমন কথা শোনার পর দ্রুত তার (মে’য়ের) এক বা’ন্ধবীকে স’ঙ্গে নিয়ে হা’সপাতা’লে ছু’টে যান।

দুপুর ২টার দিকে হা’সপাতা’লে গিয়ে রিসিপশনে চারজন ছে’লেকে বসে থাকতে দেখেন। এ সময় এক ছে’লে দিহান পরিচয় দিয়ে বলে মে’য়েটি তাদের বাসায় ছিল। সাথে তারা চার ছে’লে ব’ন্ধু ছিল। এমন কথা শোনার পর বাকি তিনজনকে জি’জ্ঞেস করলে তারাও বাসায় থাকার কথা স্বী’কার করে। তারা বলে- ওই সময় বাসায় আর কেউ ছিল না।

এ সময় মে’য়ের কী হয়েছে আমার বুঝতে বাকি ছিল না। পরে মে’য়েকে দ্রুত দেখতে যাই। কিন্তু হা’সপাতাল ক’র্তৃপক্ষ ও পু’লিশ মে’য়েকে দেড় ঘণ্টা দেখতে দেয়নি। দেড় ঘণ্টা পর তার ‘বা’ন্ধবী মে’য়ের হা’ত ও কোম’রে কালচে দা’গ দেখেন এবং ওই সময় প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণ হচ্ছিল।

দিহান স’ম্পর্কে কি’শোরীর মা বলেন, ওই ছে’লেকে আগে কখনো তিনি দেখেননি। মে’য়েও তাকে কোনোদিন কিছু বলেনি। জানতে পেরেছেন দিহান অন্য স্কু’লে এ লেভেলের ছা’ত্র। সে কখনোই তার ব’ন্ধু হতে পারে না। হয়তো ফেসবুকে যোগাযোগ করে কৌ’শলে তাকে (মে’য়ে) বাসায় নিয়ে গেছে। স’ম্পূর্ণ প’রিকল্পি’তভাবে মে’য়েকে নিয়ে হ’’ত্যা করেছে। এর সু’ষ্ঠু ত’দন্ত ও চার ব’ন্ধুর ক’ঠোর শা’স্তি দা’বি করেন তিনি।