‘কি করেছো দিহান, আমি আর বাঁ’চবো না’! বলতে বলতেই আনুশকা ঢ’লে পড়ে

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 9, 2021 03:48:00 অপরাহ্ন
0
609
ভিউ

রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কু’লের এক শি’ক্ষার্থীকে পর অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তার ব’য়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহান ও তিন সহপাঠীর বি’রু’দ্ধে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নি’হত ওই ত’রুণী (১৭) ও লেভেলের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম আনুশকাহ নূর আমিন।

নি’হত শি’ক্ষার্থীর বোন জামাই শরীফ বলেন, সে স’ম্পর্কে আমা’র চাচাতো শ্যালিকা। এ বছর মাস্টারমাইন্ড স্কুল থেকে ও-লেভেল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে কোচিং করতে গেলে এ সময় তার এক বা’ন্ধবী মি’থ্যা প্রলো’ভন দেখিয়ে একটি বাসায় নিয়ে যায়। এ সময় ওই বাসাতে চারজন মিলে তাকে করে।

যখন প্র’চন্ড র’ক্তপাত শুরু হয় তখন অ’ভিযু’ক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহান তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান ম’র্ডান হা’সপাতা’লে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিকাল পাঁচটায় হাসপাতা’লে চি’কিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যায়। ম’রদে’হ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হা’সপাতা’লের ম’র্গে রয়েছে। এ বি’ষয়ে আম’রা মা’মলা করেছি।

চি’কিৎসকরা জানান, শি’কার আনুশকাহের শ’রীর থেকে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষ’রণ হচ্ছিল। তার পেটের ডান পাশে আ’ঘাতের চি’হ্ন ছিল। পরে কলাবাগান থা’না পু’লিশ ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ম’র্গে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, নি’হত শি’ক্ষার্থীর মা দক্ষিণ সিটি ক’রপোরেশনে চাকরি করেন। বাবা ব্যবসায়ী। তিন ভাই বো’নের মধ্যে সে ছিল বড়। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকতেন। নি’হত শি’ক্ষার্থীর মা জানান, আমা’র মে’য়েকে বাসা থেকে ডে’কে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ও আমাকে যখন ফোন করে জানিয়েছিল তখন আমি অফিসে ছিলাম।

আমাকে জানায়, মা আমি ক্লাসের ওয়ার্কসিট আনতে যাচ্ছি। এই বলে গেছে। দুপুর একটার পরে একটি ছে’লে মুঠোফোন থেকে ফোন দিয়ে জানায়, আমা’র মে’য়ে অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। ওকে হা’সপাতা’লে নিয়ে এসেছি। আপনারা আসেন। পরবর্তীতে গিয়ে দেখি মে’য়ের নি’থর দে’হ পড়ে আছে। ওকে হা’সপাতা’লেই আনা হয়েছে মৃ’ত।

কলাবাগান থা’নার ইন্সপেক্টর (অ’পারেশন্স) ঠাকুর দাস বলেন, ওই ছা’ত্রীর বাসা রাজধানীর ধানমন্ডির সোবহানবাগে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ওই ছা’ত্রী তার ব’ন্ধুর স’ঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। কলাবাগানের ডলফিন গলিতে দিহানের বাসায় যান ওই ছা’ত্রী। দিহানের বাসা তখন ফাঁকা ছিল। সেখানে ওই ছা’ত্রী শি’কার হওয়ার পর অ’সুস্থ হয়ে পড়লে দিহান তার তিন ব’ন্ধুকে ফোন করে ডে’কে আনে। পরে তারা অ’সুস্থ ছা’ত্রীকে চি’কিৎসার জন্য মডার্ণ আনোয়ার খান মে’ডিকেল কলেজ হা’সপাতা’লে নিয়ে যায়। সেখানে বিকালে তার মৃ’ত্যু হয়।