দিহানের বড় ভাইও মু’খে বি’ষ ঢে’লে স্ত্রী’কে হ”ত্যা করেছিল, লাশ নিয়ে হয়েছিল বি’ক্ষোভ মিছিল

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 9, 2021 10:23:24 পূর্বাহ্ন
0
133
ভিউ

রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া এক শি’ক্ষার্থীকে ধ”ণের পর হ’’ত্যার ঘটনায় অ’ভিযুক্ত তানভীর ইফতেফার দিহানের বড়ভাই সুপ্ত স’রকারের বি’রুদ্ধেও ছিল স্ত্রী’কে হ’’ত্যার অ’ভিযোগ। কিন্তু প্র’ভাবশালী বাবা আবদুর রউফ স’রকারের কারণে ওই মা’মলার বা’দী আপস করেন বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

দিহানের বাবা আবদুর রউফ স’রকার রাজশাহী জে’লার অ’বসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার। তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজে’লার রাতুগ্রাম। জে’লার বাগমা’রা উপজে’লার তাহেরপুরেও বাড়ি রয়েছে আবদুর রউফ স’রকারের। এছাড়া রাজশাহী নগরীর সাগরপাড়া ও পদ্মা আবাসিক এলাকায় রয়েছে আরও দুটি বাড়ি। ঢাকায় রয়েছে ফ্ল্যাট।

বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক আবদুর রউফ স’রকার তিন ছে’লের জনক। বড় ছে’লে সুপ্ত স’রকারকে নিয়ে তিনি এখন দুর্গাপুরের গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন।

তার স্ত্রী সানজিদা স’রকার শিল্পী মেজ ছে’লে নিলয় স’রকার ও ছোট ছে’লে দিহানকে নিয়ে ঢাকার কলাবাগানের ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। ছে’লেদের মতো মা শিল্পীও বে’পরোয়া জী’বনযাপন করতেন বলে অ’ভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, ছোটবেলা থেকেই দিহান ঢাকায় থাকেন। তাই তার সম্পর্কে গ্রামের মা’নুষের ধারণা কম। তবে তার বড় ভাই সুপ্ত মা’দকাসক্ত। ২০০৯ সালেই তার বি’রুদ্ধে স্ত্রী রুনা খাতুনকে হ’’ত্যার অ’ভিযোগ ওঠে। পরে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সেই মা’মলার আপস করে সুপ্তর পরিবার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুপ্তর স্ত্রী রুনা খাতুনের বাবার বাড়ি কি’শোরগঞ্জে। নানার বাড়ি রাজশাহী নগরীর হোসনীগঞ্জ মহল্লায় থাকতেন তিনি। এখানেই সুপ্তর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই পরিচয় থেকে প্রেম এরপর বিয়ে।

কিন্তু সুপ্ত ছিলেন মা’দকাসক্ত। এ নিয়ে তার পরিবারে প্রায়ই অ’শান্তি লেগে থাকতো। বিয়ের কিছু দিনের মাথায় র’হস্যজনক মৃ’ত্যু হয় রুনার। মু’খে বি’ষ ঢে’লে স্ত্রী’কে হ’’ত্যার অ’ভিযোগ ওঠে সুপ্তর বি’রু’দ্ধে। এই কাণ্ডে তার বাবা-মায়েরও সম্পৃক্ততার অ’ভিযোগ রয়েছে।

ওই সময় মেয়ে হ’’ত্যার অ’ভিযোগে থানায় মা’মলা দা’য়ের করেন রুনার মা। অ’ভিযুক্তদের গ্রে’ফতারে রুনার ম’রদে’হ নিয়ে রাজশাহী নগরীতে মিছিলও করে এলাকাবাসী।

মা’মলাটির সাক্ষী ছিলেন রুনার নানার বাড়ির এলাকার এক না’রী। নাম প্রকাশ না করে তিনি বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই শা’রীরিক নি’র্যাতনের শি’কার হচ্ছিলেন রুনা। শেষে তার মু’খে জো’র করে বি’ষ ঢে’লে দেয়া হয়। পরে তাকে নেয়া হয় রাজশাহী মে’ডিকেল কলেজ হা’সপাতালে। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মা’রা যান রুনা।’

রুনার স্বজন ও এলাকার লোকজন তার ম’রদে’হ নিয়ে নগরীতে বি’ক্ষো’ভ মিছিল করেন। তারা রুনার স্বা’মীসহ তার পরি’বারের সদস্যদের শা’স্তির দা’বি জানিয়েছিলেন। এ নিয়ে দা’য়ের করা মা’মলাটি চলেছিল বেশ কিছুদিন। অবশেষে সুপ্তর বাবা টাকার জো’রে আপস মিমাংসায় বসতে বা’ধ্য করেন রুনার স্বজনদের।

রাজধানীর কলাবাগানের ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ভু’ক্তভো’গীকে প্রে’মে প্রলুব্ধ করে ধ”ণের উদ্দেশ্যে কৌশলে বাসায় নিয়ে যান দিহান। এরপর নিজের ফাঁ’কা বাসায় ওই ছা’ত্রীকে একা পেয়ে একাধিকবার ধ”ণ করেন তিনি।