জিনিসপত্র কিনতে না পেরে মানুষ অটো ডায়েটিং করছে : রিজভী

স্বাধীন নিউজ ২৪.কম
প্রকাশ : জানুয়ারী 7, 2021 08:26:49 অপরাহ্ন
0
13
ভিউ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাস’চিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘যাদের খাবারের অভাব নেই কিন্তু মেদ বেশি হয়ে গেছে, তারা মেদ কমানোর জন্য ডায়েটিং করেন। আর আজকে বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষ, নিম্ন মধ্যবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্তরাও অটো ডায়েটিং করছেন। জিনিসপত্র কিনতে না পেরে, না খেয়ে তাদের অটো ডায়েটিং করছেন। এই পরিস্থিতিতে কিসের স্বাধীনতা, কিসের সার্বভৌমত্ব।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘ফেলানী ও সীমান্ত’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে স’রকার ক’রোনা টিকা নিয়ে তেলেসমাতি শুরু করেছে। স্বা’স্থ্য স’চিব বলছেন, এটা জি টু জি (গর্ভমেন্ট টু গর্ভমেন্ট) চুক্তি। বেক্সিমকো বলছে, ‘না, এটি একটি বাণিজ্যিক চুক্তি।’ কোনটা বিশ্বাস করবেন? এর মধ্য দিয়েই বুঝা যাচ্ছে, একটা শুভঙ্করের ফাঁকি এবং যেটাকে একেবারে রুঢ়ভাষায় বলা যায়, টাকা কামানোর জন্য, অর্থ কামানোর জন্য একটা ফাঁক তৈরি করা হয়েছে। এটা কাভার দেয়ার চেষ্টা করছে স’রকার।’

রিজভী বলেন, ‘আসলে বেক্সিমকোই ভ্যাকসিনের এই চুক্তিটা করেছে। এই টাকা’টা অনেক জায়গায় যাবে। এই টাকা কর্তাব্যক্তিরাসহ সব জায়গায় যাবে। এ কারণে ও’পরে একটা প্রলেপ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে স্বা’স্থ্য স’চিবকে দিয়ে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে- কেনো বেক্সিমকো? এই লোকটাতো (সালমান এফ রহমান) অ’ভিযুক্ত ব্যক্তি। ২০১০ সালে শেয়ার মার্কেটকে ধবংস করার জন্য দায়ী এই ব্যক্তি। আওয়ামী মনস্ক একজন সম্মানিত ব্যক্তি ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে যে ত’দন্ত কমিটি হয়েছিল, সেই ত’দন্ত কমিটিতে অ’ভিযুক্ত ব্যক্তি হচ্ছেন এই দরবেশ।’

তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য একনেকে ৬ হাজার কোটি টাকা পাস হয়েছে। আমরা বলে দিচ্ছি- এই টাকার পুরোটাই লোপাট হবে। এটা বেক্সিমকোর মতো যারা শেখ হাসিনার উপদেষ্টা রয়েছেন, সেই উপদেষ্টাদের কাছে এই টাকাগুলো মূলত ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যাবে। এই টাকার একটা বড় অংক চলে যাবে স’রকারের কর্তা ব্যক্তিদের কাছে বেআইনিভাবে।’

সংগঠনের ট্রাস্টি ব্যারিস্টার মীর হেলালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাস’চিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাবেক সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।